বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার বেলা তিনটার দিকে আরশেদ আলী তাঁর সমর্থকদের নিয়ে রঘুনাথপুর কলেজপাড়া এলাকায় নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছিলেন। এ সময় মিরাজুল ইসলামের সমর্থকেরা মিছিল নিয়ে যান। দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নৌকার সমর্থকেরা দেশি অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান। এতে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর ছেলে দেলোয়ার হোসেনসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী ও আতাইকুলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (বহিষ্কৃত) আরশেদ আলী বলেন, নির্বাচনে হেরে যাওয়ার আশঙ্কায় প্রতীক পাওয়ার শুরু থেকে নৌকার লোকজন ভোট চাইতে দিচ্ছেন না। নির্বাচনী পোস্টার ছেঁড়া থেকে শুরু করে কার্যালয় ভাঙচুরসহ তাঁকে বিভিন্ন সময়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। সুষ্ঠু ভোট নিয়ে তিনি শঙ্কার মধ্যে আছেন।

আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মিরাজুল ইসলাম হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার লোকজন হামলা করেননি। তৃতীয় পক্ষ বিদ্রোহী প্রার্থীর লোকজনের ওপর হামলা করেছে। একটি পক্ষ আমাকে অপবাদ দিচ্ছে।’

আতাইকুলা থানার ওসি জালাল উদ্দিন বলেন, দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হামলা-সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তির কথা শুনেছেন। লিখিত অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন