পুলিশ বলছে, সাংবাদিক মহিউদ্দিন সরকার হত্যা মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আটক চারজনের মধ্যে দুজনের নাম- প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁরা হলেন ফরহাদ মৃধা (৩৮) ও পলাশ মিয়া (৩৪)।

বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন আজ সকালে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের গুলিতে সাংবাদিক মহিউদ্দিন মারা গেছেন। এ ঘটনায় নিহত মহিউদ্দিনের মা নাজমা আক্তার বাদী হয়ে রাজুকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

নিহত মহিউদ্দিন সরকার কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মালাপাড়া ইউনিয়নের অলুয়া গ্রামের মোশাররফ হোসেনের ছেলে। তিনি কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত কুমিল্লার ডাক পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক ছিলেন। এর আগে তিনি আনন্দ টেলিভিশনের ব্রাহ্মণপাড়া-বুড়িচং প্রতিনিধি ছিলেন।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পুলিশ ও র‌্যাবকে তথ্য দিয়ে মাদকদ্রব্য জব্দ করতে সহায়তা করায় এবং মাদক ব্যবসা নিয়ে প্রতিবেদন করায় মাদক ব্যবসায়ীরা মহিউদ্দিনের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন। এ কারণেই মাদক ব্যবসায়ীরা গত বুধবার রাত ৯টার দিকে বুড়িচং উপজেলার শংকুচাইল হায়দারাবাদ ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় গুলি করে নির্মমভাবে মহিউদ্দিনকে হত্যা করেন। এ নিয়ে গতকাল ‘পরিবারের আশঙ্কা, মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় হত্যা করা হয় সাংবাদিক মহিউদ্দিনকে’ এবং ‘মাদক কারবারিদের গুলিতে সাংবাদিক নিহত’ শিরোনামে প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে দুটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন