বিজ্ঞাপন
default-image

সকাল সাড়ে ১০টায় আশুগঞ্জ গোল চত্বরের যাত্রী ছাউনির সামনে আশুগঞ্জ প্রেসক্লাব মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে। সেখানে জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন আশুগঞ্জ শাখার নেতারাও অংশ নেন। মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে আশুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন আশুগঞ্জ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আক্তারুজ্জামান রঞ্জন, প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি আবু আব্দুল্লাহ, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, আশুগঞ্জ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি বাবুল শিকদার, সাধারণ সম্পাদক সাদেকুল ইসলাম প্রমুখ। বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগ নিজেদের দুর্নীতিকে ঢাকতেই সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন করেছে এবং তাঁকে মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। অবিলম্বে রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের সভাপতি আইয়ুব খান। বক্তৃতা করেন সাবেক সাংসদ জিয়াউল হক মৃধা, মুক্তিযোদ্ধা সংদের সাবেক কমান্ডার আনোয়ার হোসেন, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা যতীন্ত্র মোহন চৌধুরী, প্রেসক্লাবের সহসভাপতি জুলকার নাঈন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব খান, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ কামরুজ্জামান, প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য ফয়সাল আহমেদ মৃধা, সাহিত্য সম্পাদক জহিরুল ইসলাম প্রমুখ। সাংবাদিকেরা বলেন, রোজিনা ইসলাম স্বাস্থ্য বিভাগের অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার বিষয়ে অনেকগুলো প্রতিবেদন করেছেন। তাই রোজিনার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন স্বাস্থ্য বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা। এর জের ধরেই পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সচিবালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা করেন। আমরা এমন ন্যক্কারজনক ও জঘন্য অপকর্মের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। রোজিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার ও তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।

টাঙ্গাইল

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় টাঙ্গাইলে প্রেসক্লাবের সামনে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) টাঙ্গাইল জেলা শাখা মানববন্ধনের আয়োজন করে। মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন জেলা শাখার সভাপতি খান মোহাম্মদ খালেদ, সহসভাপতি অধ্যাপক বাদল মাহমুদ, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, শেরপুর সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক, জেলা সুজনের সাধারণ সম্পাদক তরুণ ইউসুফ, মানবাধিকারকর্মী মাহমুদা শেলী, হোসনেআরা বেবী, জেলা সুজনের সদস্য আবু রায়হান, আল রুহী প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে একজন নারী সাংবাদিককে এভাবে হয়রানি, হেনস্তা, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন এবং তাঁকে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে, এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে রোজিনা ইসলামের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান বক্তারা।

নরসিংদী

সচিবালয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা ও সাজানো মামলায় গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন নরসিংদী জেলার কর্মরত সাংবাদিকেরা। বুধবার সকাল ১০টার দিকে নরসিংদী প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা বক্তব্য দেন। বক্তারা রোজিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানোসহ তাঁকে আটকে রেখে হেনস্তা, নির্যাতন ও মামলা দায়ের করার নিন্দা জানান। তাঁকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া না হলে সাংবাদিক সমাজ বৃহত্তর আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। নরসিংদী প্রেসক্লাবের সভাপতি মাখন দাসের সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য দেন ইত্তেফাকের জেলা প্রতিনিধি নিবারণ রায়, সমকালের জেলা প্রতিনিধি নুরুল ইসলাম, সাপ্তাহিক সমাচার পত্রিকার সম্পাদক একে ফজলুল হক, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন ও আজকের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান রিপন প্রমুখ। মানববন্ধন সঞ্চালনা করেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাভিশনের জেলা প্রতিনিধি মাজহারুল পারভেজ।

ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহের ফুলপুরে উপজেলা সদরের প্রধার সড়কে বেলা ১১টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ফুলপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, মানবাধিকার কমিশনের ফুলপুর উপজেলা শাখার সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ প্রমুখ। এ ছাড়া সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ত্রিশালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সামনে মানববন্ধন হয়। এতে বক্তব্য দেন ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা সরকার, ত্রিশাল উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোখলেছুর রহমান, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির ত্রিশাল উপজেলা শাখার সভাপতি খোরশিদুল আলম, ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

ময়মনসিংহের নান্দাইল ও ঈশ্বরগঞ্জের সাংবাদিকেরা রোজিনা ইসলামের মুক্তি ও তাঁকে হেনস্তাকারীদের শাস্তি চেয়েছেন। আজ বেলা ১১টার দিকে নান্দাইল শহরের বঙ্গবন্ধু চত্বরের সামনে সাংবাদিকেরা মানববন্ধন করেন। এতে বক্তব্য দেন অরবিন্দ পাল, এনামুল হক, আলম ফরাজী, মাহবুবুর রহমান, শামছ ই তাবরীজ রায়হান, আবু হানিফ প্রমুখ। সাংবাদিক এনামূল হক বলেন, একজন খ্যাতনামা নারী সাংবাদিককে সচিবালয়ের মতো জায়গায় যেভাবে হেনস্তা করা হয়েছে, তা ছিল নজিরবিহীন। তিনি হেনস্তাকারীদের কঠোর শাস্তি ও রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।

সকাল ১০টার দিকে ঈশ্বরগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে সাংবাদিকেরা উপজেলা পরিষদের ফটকের সামনে মানববন্ধন আয়োজন করে রোজিনা ইসলামের মুক্তি দাবি করেছেন। এতে বক্তব্য দেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ, প্রেসক্লাবের সভাপতি নীলকণ্ঠ আইচ মজুমদার, সম্পাদক মো, আতাউর রহমান প্রমুখ। দুটি উপজেলায় কর্মসূচি চলাকালে সাধারণ পথচারীরা দাঁড়িয়ে অন্যায়ভাবে একজন নারী সাংবাদিককে হেনস্তা করার ঘটনাটি শুনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

জামালপুর

বেলা ১১টায় জামালপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসক্লাবের সভাপতি হাফিজ রায়হানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সিনিয়র সাংবাদিক সুশান্ত কানু, কালের কণ্ঠ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মোস্তফা মনজু, চ্যানেল টোয়েন্টিফোর ও সমকালের জেলা প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন, সসচেতন কণ্ঠের সম্পাদক বজলুর রহমান, বাংলাভিশন টিভির জেলা প্রতিনিধি জুলফিকার মোহাম্মদ জাহিদ, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি জামালপুর জেলা শাখা সাধারণ সম্পাদক শওকত জামান, দৈনিক যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি মাহফুজুর রহমান, ইতেফাক পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি এস এম আব্দুল হালিম, জামালপুর দিনকাল পত্রিকার সম্পাদক সাইদ পারভেজ, সংবাদ প্রতিদিন পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মনজুরুল হক, জামালপুর প্রেসক্লাবের সদস্য লিন্টু ভৌমিক প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা এবং ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। গতকাল রাতে ভাইরাল হওয়া সাত মিনিটের ভিডিওর মাধ্যমে বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়, আজ সাংবাদিকেরা নিরাপদ নন। তাই ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করতে হবে। তাঁকে শুধু জামিন দিলেই হবে না, মিথ্যা মামলাও প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের সব আইন বাতিল করতে হবে, অন্যথায় জামালপুর থেকেই কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।

নালিতাবাড়ী, শেরপুর

আজ দুপুর ১২টার দিকে শেরপুরের নালিতাবাড়ী পৌর শহরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানববন্ধন হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, যেভাবে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে সচিবালয়ে আটকে রেখে হেনস্তা করা হয়েছে, তা মুক্ত গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতার জন্য হুমকি। বাংলাদেশে স্বাধীন সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তা না হলে সাংবাদিকতার জায়গা কমে যাবে। দুর্নীতিবাজ আমলাদের চিহ্নিত করে, তাঁদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এই কর্মসূচি থেকে রোজিনা ইসলামের মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় স্থানীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও বৈশাখী টিভির শেরপুর জেলা প্রতিনিধি বিপ্লব দে, প্রথম আলোর নালিতাবাড়ী প্রতিনিধি আবদুল মান্নান, যায়যায় দিনের প্রতিনিধি মো. আমিনুল ইসলাম, নয়াদিগন্তের প্রতিনিধি আবদুল মোমেন, দৈনিক দেশের খবরের প্রতিনিধি হাদিউল ইসলাম, ভোরের কলামের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি অভিজিত সাহা, সবুজবাগ সংগঠনের সভাপতি তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ। এ ছাড়া এ কর্মসূচিতে সামাজিক সংগঠনের পক্ষে জাগ্রত মানবতা সেবা, ছাত্রকল্যাণ ফেডারেশন, দিপশীখা ও প্রথম আলোর বন্ধুসভার সদস্যরা অংশ নেন।  

default-image

ধরমপাশা, সুনামগঞ্জ

ধরমপাশা উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ধরমপাশা উপজেলা প্রেসক্লাব এই মানববন্ধনের আয়োজন করে। এতে গণমাধ্যমকর্মীদের পাশাপাশি নানা শ্রেণি–পেশার মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জুবায়ের পাশা। উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমেদের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সংগঠনের সহসভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, সদস্য সালেহ আহমদ, ধরমপাশা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি কবি আনিসুল হক, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন খান প্রমুখ।

উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জুবায়ের পাশা বলেন, ‘সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। আমরা সাংবাদিক। দেশের সার্বিক উন্নয়নে সাংবাদিকদেরও অবদান রয়েছে। আমরা ন্যায়বিচার প্রত্যাশী। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতিবাজদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে দেশের জনগণের অধিকার আদায়ে ভবিষ্যতে কঠিন কর্মসূচি দেওয়া হবে।’

জুড়ী, মৌলভীবাজার

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুলাউড়া পৌর শহরের রেলস্টেশন চৌমোহনা চত্বরে মানববন্ধন শুরু হয়। এতে সাংবাদিক ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশ নেন। কুলাউড়া রিপোর্টার্স ইউনিটি এ কর্মসূচির আয়োজন করে। কর্মসূচি চলাকালে আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা মছব্বির আলীর সভাপতিত্বে ও সহসভাপতি মাহফুজ শাকিলের সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. বদরুজ্জামান সজল, কুলাউড়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, জাসদ নেতা মইনুল ইসলাম, ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান, সাংবাদিক মোক্তাদির হোসেন, মিন্টু দেশোয়ারা প্রমুখ।এ সময় বক্তারা বলেন, সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দীর্ঘ সময় আটকে রেখে হেনস্তা ও তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা গণমাধ্যমের জন্য হুমকি। এটা দেশের জন্য লজ্জার। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমেও সাংবাদিকদের হয়রানি করা হচ্ছে। এই কালো আইন বাতিল করতে হবে। রোজিনাকে হেনস্তার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। অবিলম্বে তাঁকে মুক্তি দিতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন