বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইউপি নির্বাচনের আচরণবিধির তোয়াক্কা না করে সাংসদ গোলাপ তাঁর নিজ বাসভবনে বসে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এবং ইউনিয়নে তাঁর নেতা-কর্মীদের নিয়ে সভা করে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করছেন। গত বুধবার ছয় ইউপির চেয়ারম্যান প্রার্থী পৃথকভাবে এ নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। এর ভিত্তিতে শনিবার সাংসদের বাসভবন পরিদর্শনে যান নির্বাচন কর্মকর্তারা।

সাংসদের আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে গত বুধবার প্রথম আলো অনলাইনে ‘সাংসদ গোলাপের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ৬ প্রার্থীর’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা ২০১৬ বিধি-২২ (১) অনুসারে সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী নির্বাচনপূর্ব সময়ে নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণা বা নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারেন না।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অভিযোগে বলা হয়েছে, আচরণবিধির তোয়াক্কা না করে সাংসদ সভা করে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করছেন। ইউনিয়নে দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে ভোট চেয়ে কৌশলে প্রচারণা চালাচ্ছেন। বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজেও তিনি অংশ নিচ্ছেন। তাঁর অবস্থান ও প্রকাশ্য মদদে কালকিনি ও ডাসার উপজেলার ১৩টি ইউপিতে সহিংসতা মারাত্মকভাবে বেড়েছে।

আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকদের দ্বারা স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহী প্রার্থীর বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। আবার দলীয় প্রতীক নৌকা আগুনে পুড়িয়ে স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকদের নামে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার ও হয়রানিরও অভিযোগ করেন এসব প্রার্থীরা।

বাসভবন পরিদর্শন ও প্রার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে জানতে আজ রোববার বেলা সাড়ে তিনটায় সাংসদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন