বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শনিবার দুপুরে সিলেটের কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় মানববন্ধন করে সিলেটে সোমবার ধর্মঘটের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। মানববন্ধন থেকে ছয়টি দাবি তুলে ধরে বলা হয়, গত ২৬ সেপ্টেম্বর ৬টি দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে। দাবি পূরণ না হওয়ায় তাঁরা ধর্মঘট আহ্বান করতে বাধ্য হয়েছেন।

ছয়টি দাবি হচ্ছে, ট্রাফিক পুলিশের অযথা ‘হয়রানি’ বন্ধ, ভুল জায়গায় গাড়ি রাখার মামলা বন্ধ, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি ছাড়া রেকারিং বিল আদায় বন্ধ, বিআরটিএর লাইসেন্স প্রাপ্তিতে হয়রানি বন্ধ, মহানগর ট্রাফিক পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি) ফয়ছল মাহমুদ, অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) জ্যোতির্ময় সরকার ও ট্রাফিক সার্জন নুরুল আফছারকে প্রত্যাহার এবং মেয়াদোত্তীর্ণ লামাকাজি সেতু, শেওলা সেতু, শেরপুর সেতু, ফেঞ্চুগঞ্জ সেতু এবং শাহ পরান সেতু থেকে অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধ করা।

জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার বিকেলে সংগঠনের এক জরুরি সভা হয়। সভায় মহানগর পুলিশের দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল ইসলামের উপস্থিতিতে ধর্মঘট স্থগিতের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। এরপর সভা চলাকালে সিলেট-৩ আসনের সাংসদ হাবিবুর রহমান মুঠোফোনে যুক্ত হন। তিনি পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের ছয়টি দাবি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলবেন এবং এতে দাবিদাওয়ার বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে বলে আশ্বাস দেন। এ জন্য বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ধর্মঘট স্থগিত করার সিদ্ধান্ত হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের কয়েকজন নেতা বলেছেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্থগিত করার ঘোষণা দেওয়া হলেও দাবি আদায় না হলে আগামী রোববার ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হতে পারে।

একই দাবিতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক শ্রমিক সংগঠন ১ অক্টোবর ধর্মঘট আহ্বান করে আগের দিন প্রত্যাহার করেছিল। এ প্রসঙ্গে সংগঠনের সভাপতি হাজি ময়নুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ধর্মঘট করার প্রস্তুতি নিয়েই ঘোষণা করেছিলাম। সিলেট-৩ আসনের সাংসদ হাবিবুর রহমান আমাদের কাছে প্রস্তাব রেখেছেন ধর্মঘট স্থগিত রাখার। তিনি নতুন নির্বাচিত সাংসদ। তাঁর প্রতি সম্মান দেখাতে স্থগিত করেছি। তবে দাবি আদায় না হলে আবার ধর্মঘট আহ্বান করা হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন