বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে হামলার শিকার বাটইয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ইমাম হোসেন বলেন, ১৫ এপ্রিল তিনি ছাড়াও বাটইয়া ইউনিয়ন থেকে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের অনেক নেতা-কর্মী নোয়াখালী-৪ আসনের সাংসদ মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরীর কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর গ্রামের বাড়িতে ইফতার অনুষ্ঠানে যান। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের অনুসারী বাটইয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন শাহিন। তিনি ফেসবুক লাইভে এসে যাঁরা সাংসদ একরামুল করিমের বাড়িতে ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের নানা হুমকি-ধমকি দেন।

ইমাম হোসেন বলেন, ১৭ এপ্রিল রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি স্থানীয় ভূঁইয়ারহাট থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় পেছন থেকে পাঁচ-ছয়জনের একদল সন্ত্রাসী তাঁর ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা শাহিন চেয়ারম্যান তাঁকে (ইমাম) হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন উল্লেখ করে হাতুড়িপেটা করে। এতে তাঁর মাথা ফেটে যায় এবং পুরো শরীর জখম হয়। এ সময় তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
যুবলীগের এই নেতা আরও বলেন, সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরীর বাড়িতে ইফতার অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জের ধরে চার দিনে বাটইয়ার কয়েকটি বাড়িতে হামলা ও একটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে চেয়ারম্যান শাহিনের লোকজন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত একই এলাকার মনোয়ারা বেগম বলেন, তাঁর বাবা ও ভাই ১৫ এপ্রিল সাংসদের বাড়িতে ইফতার অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। এ কারণে ১৭ এপ্রিল রাতে বাটইয়া ইউপি চেয়ারম্যানের লোকজন তাঁদের বাড়িতে হামলা করেছে এবং বসতঘরে অগ্নিসংযোগ করেছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হলেও পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করেনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বাটইয়া ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন শাহিন প্রথম আলোকে বলেন, তিনি কিংবা তাঁর কোনো লোক কারও ওপর কিংবা কারও বাড়িতে হামলার ঘটনায় জড়িত নন। তবে ইমাম হোসেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেয়ায় তাঁকে ছাত্রলীগের ছেলেরা হালকা মারধর করেছেন বলে তিনি শুনেছেন। এ ছাড়া কারও বাড়িতে হামলা কিংবা অগ্নিসংযোগের ঘটনা তাঁদের অপপ্রচার।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন