বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত বছরের ১৯ আগস্ট মো. একাব্বর হোসেন করোনায়ও আক্রান্ত হয়েছিলেন।
সাংসদের সাবেক সহকারী একান্ত সচিব উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক শামীম আল মামুন জানান, আজ সন্ধ্যায় ঢাকায় তাঁর জানাজা হওয়ার কথা রয়েছে। আগামীকাল বুধবার জোহরের নামাজের পর মির্জাপুরের শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে তাঁর জানাজা শেষে নিজ গ্রামে পোষ্টকামুরীতে পারিবারিক কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা হবে।

উপজেলা আওয়ামী লীগ সূত্রমতে, একাব্বর হোসেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৯৯৬ সালে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন। ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রথমবার সাংসদ নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে নবম, দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সাংসদ নির্বাচিত হন। তিনি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছাড়াও ভূমি মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৯৫৬ সালের ১২ জুলাই উপজেলা সদরের পোষ্টকামুরী গ্রামে জন্ম গ্রহণকারী এই সাংসদ ১৯৭৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (সম্মান) ও ১৯৭৮ সালে¯স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ঢাকার সরকারি তিতুমীর কলেজে পড়াকালীন ১৯৭৩ সালে তিনি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৭৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসীন হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৭৮ সালে হলের ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন।

সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার আগে মো. একাব্বর হোসেন মির্জাপুর উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির তিনবার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ সালে মির্জাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকও। ১৯৯৭ সালে দলীয় সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর পর থেকে মৃত্যু অবধি তিনি একই দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন