তবে সাংসদ সালাম মূর্শেদীর দাবি, ওই নির্বাচনের ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। কোথা থেকে কীভাবে তাঁর নাম সেখানে গেল, সে ব্যাপারেও তিনি অবগত নন। তিন উপজেলার কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিনি সংশ্লিষ্ট নন। সেখানে সামান্য একটি বিদ্যালয়ের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রশ্নই আসে না। তা ছাড়া উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, সাংসদেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের কোনো পদেই থাকতে পারবেন না। তাহলে জেনেশুনে কেন তিনি ওই নির্বাচনে অংশ নিতে যাবেন, এমন প্রশ্নও রাখেন তিনি।

শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) হোসনে আরা প্রথম আলোকে বলেন, নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন দুজন। আর ভোটার ছিলেন ৯ জন। এর মধ্যে শহিদুল ইসলাম ৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। সাংসদ সালাম মূর্শেদী পেয়েছেন ৩ ভোট।

জানা গেছে, ওই বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের পদ্ধতি কিছুটা ভিন্ন। অভিভাবক, দাতা সদস্য ও শিক্ষকদের ভোটে প্রথমে ৯ জন সদস্য নির্বাচন করা হয়। এর মধ্যে শিক্ষক প্রতিনিধি তিনজন, দাতা সদস্য একজন ও অভিভাবক সদস্য পাঁচজন। গত ১৫, ১৬ ও ২০ মার্চ সদস্য নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমা দেওয়ার সময় ছিল। ২১ মার্চ যাচাই-বাছাই ও ২২ মার্চ ছিল প্রত্যাহারের শেষ দিন। সদস্য নির্বাচনের ভোট ২৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে ৯ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই ৯ জন নির্বাচিত প্রতিনিধির ভোটে সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান শিক্ষক হোসনে আরা আরও বলেন, নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে মোসাবিয়া খানাম সভাপতি পদে সাংসদ আবদুস সালাম মূর্শেদীর নাম প্রস্তাব করেন। আর তাতে সমর্থন দেন আরেক সদস্য তরিকুল ইসলাম। এ ছাড়া সদস্য রাসেল রানা সভাপতি পদে শহিদুল ইসলামের নাম প্রস্তাব করেছিলেন ও আর তাতে সমর্থন জানিয়েছিলেন সদস্য লাকি খানম।

সাংসদের নাম প্রস্তাবকারী মোসাবিয়া খানামের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে তাঁর স্বামী বাদশা মিঞা বলেন, ‘আমার স্ত্রী সাংসদের সঙ্গে কথা বলেই নাম প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি কোনো আপত্তি করেননি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন