বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আগামী বৃহস্পতিবার ফাইতং ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এটিসহ লামা উপজেলার সাতটি এবং নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দুটি ইউপিতে এদিন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার ছিল এসব ইউপিতে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিন। ফাইতং ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছাড়াও তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। তাঁরা হলেন আবদুল জলিল (চশমা প্রতীক), মো. আবু তাহের (আনারস প্রতীক) ও মো. শহিদ উল্লাহ (মোটরসাইকেল প্রতীক)।

সাংসদ জাফর বলেন, ‘প্রত্যেককে সুসংবাদ দিয়ে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসবেন। এ সরকারের প্রশাসন কী, ভোটের দিন বুঝবেন। ভোট যারা নেবে তারাও নৌকা, ভোট যারা দেবে তারাও নৌকা।’

আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওমর ফারুকের শোডাউনে অংশ নিয়ে সাংসদ জাফর আলমের দেওয়া বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যায়, সাংসদ জাফর উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে বলেছেন, ‘প্রত্যেককে সুসংবাদ দিয়ে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসবেন। এ সরকারের প্রশাসন কী, ভোটের দিন বুঝবেন। ভোট যারা নেবে তারাও নৌকা, ভোট যারা দেবে তারাও নৌকা। অন্য প্রার্থীর টাকা খেলেও নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে। যেকোনো উপায়ে নৌকার প্রার্থী ওমর ফারুককে বিজয়ী করতে হবে।’

ফাইতং ইউপি নির্বাচনের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবদুল জলিল বলেন, ‘ফাইতং বাজারে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ওমর ফারুকের শোডাউনের প্রধান অতিথি হিসেবে চকরিয়ার সাংসদ মো. জাফর আলম ছিলেন। সেখানে তিনি প্রকাশ্যে ওমর ফারুককে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী করতে নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন। এতে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি না, আমরা সংশয়ে রয়েছি।’

স্বতন্ত্র প্রার্থী শহিদ উল্লাহ বলেন, জেলা পরিষদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান ও সর্বশেষ সাংসদ জাফর আলম প্রকাশ্যে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করে প্রচারণা চালানোয় তাঁরা এখন আতঙ্কে রয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না।

যোগাযোগ করা হলে সাংসদ জাফর আলম নির্বাচনী শোডাউনে উপস্থিত থাকার কথা অস্বীকার করেন। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘আমি ফাইতং এলাকায় ইটভাটা দেখার জন্য গিয়েছিলাম। স্থানীয় নেতা-কর্মীরা জানতে পেরে গাড়ি থেকে নামিয়েছেন। সেখানে তাঁদের সঙ্গে পাঁচ-ছয় মিনিটের মতো কথা হয়েছে। কোনো ভোটের সভায় অংশগ্রহণ করিনি। প্রার্থী ওমর ফারুক আমার সঙ্গে ছিলেন না।’

জানতে চাইলে ফাইতং ইউপি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মন বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধির বিষয়টি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ দেখাশোনা করে থাকেন। এ জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা অভিযোগগুলো তিনি ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশকে জানিয়েছেন। তাঁরাই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন