বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে সাংসদ গোলাম মো. সিরাজকে আহ্বায়ক কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়ার কারণ উল্লেখ করা হয়নি। জেলা বিএনপির কেউ এ নিয়ে মুখ খুলতেও চাননি। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটিতে সদস্যপদে থাকা দলটির আরেক সাংসদ (বগুড়া-৪) মোশাররফ হোসেনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। এ ছাড়া আহ্বায়ক কমিটিতে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান ও শহিদুল ইসলামকে।

রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দাবি করেন, বিষয়টি তিনি জানেন না। এ নিয়ে দলীয় কোনো পর্যায় থেকে কেউ যোগাযোগও করেননি।

জানতে চাইলে সাংসদ গোলাম মো. সিরাজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘কী কারণে আমাকে বগুড়া বিএনপির নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো, সেটা দলীয় প্রধানই ভালো বলতে পারবেন। তবে তিনি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যেটা ভালো মনে করেছেন, সেই সিদ্ধান্ত আমিও মেনে নিয়েছি।’ সংসদে বক্তব্য দেওয়ার কারণে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি সত্য নয় বলে তিনি জানান।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রেজাউল করিম বলেন, ‘নেতা আমার ওপর আস্থা রেখেছেন, বিশ্বাস করে আমাকে জেলা কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব দিয়েছেন, তাঁর সেই বিশ্বাসকে সম্মান দেওয়ার চেষ্টা করব।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন