বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রুমিকে বাঁচাতে তহবিল গঠনে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলায় এনেক্সসুইট মিলনায়তনে শিল্পকলা একাডেমির পুরস্কার পাওয়া কণ্ঠশিল্পী ‘রাজনের একক সংগীতসন্ধ্যা এবং একটি মানবিক আবেদন’ শীর্ষক অনুষ্ঠান হয়। আয়োজনে ছিল ‘অযান্ত্রিক’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। একজন সাংস্কৃতিক কর্মীকে বাঁচাতে এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন আনিসুল হক।

এ সময় সংস্কৃতিচর্চায় বেশি করে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বানও জানান কিশোর আলো সম্পাদক আনিসুল হক। তিনি বলেন, ‘চর্চাটা ব্যাপকভাবে করা দরকার। বাংলাদেশকে আমরা যদি বাঁচাতে চাই, তবে সংস্কৃতিচর্চার বিকল্প নেই। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নত দেশ হবেই। তবে দেশটা মানবিক সমাজ হবে নাকি দানবিক সমাজ হবে, সেটা নির্ভর করবে আমরা সংস্কৃতিচর্চা করব কি না?’

default-image

বগুড়ার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ টেনে আনিসুল হক বলেন, বগুড়া সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পীঠস্থান। এখানে একুশে পদকপ্রাপ্ত নন্দিত কণ্ঠশিল্পী খুরশিদ আলম, খন্দকার ফারুখ আহমেদ, আঞ্জুমান আরা বেগম, ফাতেমা তুজ জোহরা, শওকত হায়াত খান, ইয়ুথ কয়্যারের তৌফিকুল আলম টিপুর মতো গুণী শিল্পীদের জন্ম। আনিসুল হক জানান, ১৯৭১ সালে বগুড়ার সোনাতলায় তাঁর শৈশব কেটেছে। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে বগুড়া ছাড়তে হয়। বগুড়ার সঙ্গে তাঁর নানা স্মৃতি জড়িয়ে আছে।
কণ্ঠশিল্পী রাজনের পুরোনো দিনের গানের ফাঁকে ফাঁকে সাংস্কৃতিক কর্মী আমিনুল ইসলাম রুমিকে বাঁচাতে মানবিক সহায়তার আশ্বাস দিয়ে আরও অনেকে বক্তব্য দেন।

তাঁদের মধ্যে ছিলেন বগুড়া-১ আসনের সাংসদ সাহাদারা মান্নান, বগুড়ার জেলা প্রশাসক জিয়াউল হক, পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী, দৈনিক করতোয়ার সম্পাদক মোজাম্মেল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান, পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ শাহাদত আলম, দৈনিক জয়যুগান্তের সম্পাদক নাহিদুজ্জামান নিশাদ, হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতা জি এম সাকলাইন প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও সভাপতিত্ব করেন প্রথম আলো বগুড়া বন্ধুসভার সভাপতি সামির মিশু।

অনুষ্ঠানে আমিনুল ইসলাম রুমি বলেন, দুই বছর ধরে তিনি কিডনির জটিল রোগে ভুগছেন। চিকিৎসার জন্য বিপুল অঙ্কের অর্থ প্রয়োজন। কিন্তু কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ নেই তাঁর।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন