বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এ ঘটনায় গতকাল বিকেলে থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। এ বিষয়ে সাঘাটা থানার ওসি মতিউর রহমান জানান, আবু তাহেরের বাবা ওমর আলী বাদী হয়ে এই মামলা করছেন। ইউপি নির্বাচনে জয়ী সদস্য প্রার্থী রাসেল আহমেদসহ ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে ওই মামলার আসামি করা হয়েছে।

গাইবান্ধা শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে মামুদপুর গ্রাম। সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ওই গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, গ্রামজুড়ে শোকের মাতম। নিহত ব্যক্তির বাবা, স্ত্রী ও সন্তান এবং আত্মীয়রা আহাজারি করছেন।

মামুদপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানান, নির্বাচনের দিন আবু তাহের জুমারবাড়ি আদর্শ কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিতে যান। ভোট দেওয়ার পর বাড়ি ফেরার পথে তিনি দুই ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষের মধ্যে পড়েন। এ সময় ওই ওয়ার্ডের বিজয়ী সদস্য রাসেল আহমেদের সমর্থকেরা তাহেরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন।

মামুদপুর গ্রামের বাসিন্দা তারাজুল ইসলাম বলেন, কোনো কারণ ছাড়াই তাঁকে হত্যা করা হয়। গ্রামবাসী এ হত্যার বিচার চায়। তিনি বলেন, তাহের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী আইজল মিয়ার সমর্থক ছিলেন। বুধবার পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলাকালে বিকেলে কেন্দ্রের বাইরে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী আইজল মিয়ার সমর্থকদের সঙ্গে অপর সদস্য প্রার্থী রাসেল আহমেদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আবু তাহেরকে রাসেলের সমর্থকেরা হত্যা করেন।

আবু তাহের ভ্যানচালক ছিলেন। বৃদ্ধ বাবাকে নিয়ে পাঁচ সদস্যের সংসার। তাহেরের দুই ছেলে। বড় ছেলে পারভেজ মিয়া (১৪) ট্রাকচালকের সহকারী হিসেবে কাজ করে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন