বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানায়, গত বৃহস্পতিবার ঢাকার ধামরাই উপজেলায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে যান ওই কলেজছাত্রী। শনিবার সকালে সিঙ্গাইরে নিজ বাড়িতে ফেরার জন্য বোনের বাড়ি থেকে বের হন। সকাল ১০টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাই থানা বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি যাত্রীবাহী বাসে ওঠেন তিনি। এ সময় ওই বাসে আরও বেশ কয়েকজন যাত্রী ছিল। মহাসড়কের ধামরাইয়ের শ্রীরামপুর বাসস্ট্যান্ডে বাস থেকে সব যাত্রী নেমে যায়। এরপর ওই ছাত্রীকে নিয়ে মানিকগঞ্জের দিকে আসছিলেন বাসের চালক খোকন ও তাঁর সহকারী। এরপর কয়েকটি স্থানে বাসটি থামানোর চেষ্টা করেছিলেন চালক।

মহাসড়কের ধামরাইয়ের শ্রীরামপুর বাসস্ট্যান্ডে ওই ছাত্রী ছাড়া বাস থেকে সব যাত্রী নেমে যায়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মহাসড়কের সাটুরিয়া উপজেলার সেকেন্ড গোলড়া আসার পর বাসের ইঞ্জিন বন্ধ করে দেন চালক।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মহাসড়কের সাটুরিয়া উপজেলার সেকেন্ড গোলড়া আসার পর বাসের ইঞ্জিন বন্ধ করে দেন চালক। এ সময় বাসটির যান্ত্রিক ত্রুটির কথা বলে সহকারীকে বাস থেকে নামিয়ে দেন চালক। এরপর চালক খোকন ওই ছাত্রীকে জড়িয়ে ধরেন এবং তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ওই ছাত্রী বাসের জানালা দিয়ে বাইরে লাফ দেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে চালক খোকনকে আটক করেন।

ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী বলেন, পথে সব যাত্রী নেমে যাওয়ার পর কয়েকটি স্থানে বাসটি থামানোর চেষ্টা করেছিলেন চালক। তবে সেকেন্ড গোলড়ায় মহাসড়কের পাশে এসে বাসটি থামিয়ে তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন চালক। পরে বাস থেকে লাফিয়ে তিনি রক্ষা পান।

গোলড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসটি জব্দ করা হয়েছে।

সাটুরিয়া থানার ওসি মো. আশরাফুল আলম বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী চালক খোকন মিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ স্বীকার করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন