বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও নিহত ব্যক্তির স্বজনেরা জানান, মনছুর গত মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগর থেকে গ্রামের বাড়িতে আসেন। এরপর বড় ভাইয়ের ঘরে রাতের খাবার খেয়ে নিজের শয়নকক্ষে ঘুমাতে চলে যান। গতকাল বিকেলের দিকেও তিনি ঘুম থেকে জেগে না ওঠায় সবাই ডাকাডাকি করেন। পরে কক্ষের দরজা ভেঙে গলাকাটা অবস্থায় মনছুরের লাশ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনেরা। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

নিহত মনছুর আলী চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন হোটেল ও চায়ের দোকানে চা-পাতা সরবরাহের ব্যবসা করতেন।

নিহত মনছুরের ভাতিজা সাজ্জাদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর চাচা একসময় চট্টগ্রাম নগরে খাবার হোটেলে ব্যবস্থাপক হিসেবে চাকরি করতেন। পরে তিনি হোটেল ও চায়ের দোকানে চা-পাতা সরবরাহের ব্যবসা শুরু করেন। করোনা ও বিধিনিষেধের কারণে হোটেল ও চায়ের দোকান বন্ধ থাকায় তাঁর ব্যবসাও বন্ধ হয়ে যায়। এতে পুঁজি হারিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে হতাশায় ভুগছিলেন তিনি। ওই হতাশা থেকেই নিজের গলা কেটে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করছেন তাঁরা।

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়েই গতকাল রাতে মনছুর নামের ওই ব্যক্তির কণ্ঠনালী কাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে ও আলামত দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হতাশা থেকেই ধারালো দায়ের সাহায্যে গলা কেটে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। তারপরও বিষয়টি তাঁরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখছেন। এটি আত্মহত্যা না হত্যা, সেটি ময়নাতদন্তের ফলাফল পাওয়ার পর জানা যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন