বিজ্ঞাপন

সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আবদুল মজিদ ওসমানী বলেন, গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে একই পরিবারের তিনজনসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়ে হয়েছিলেন। দগ্ধ চারজনকে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ও একজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চারজনের অবস্থা গুরুতর ছিল। এর মধ্যে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় দগ্ধ নারীর মৃত্যু হলো।

ওই নারীর পরিবার ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, ৮ জুলাই বিকেলে খালেদা বেগম তাঁর স্বামী ও ছেলেকে নিয়ে সাতকানিয়া পৌরসভার উত্তর চরপাড়া এলাকায় বাবার বাড়িতে আসেন। ওই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে খালেদা বাবার বাড়ির রান্নাঘরের গ্যাসের চুলার সঙ্গে গ্যাসভর্তি নতুন একটি সিলিন্ডারের সংযোগ দিচ্ছিলেন।

এ সময় গ্যাস সিলিন্ডারটির মুখ ছিদ্র হয়ে হঠাৎ আগুন জ্বলে খালেদা দগ্ধ হন। খালেদার চিৎকার শুনে স্বামী শাহ আলম, ছেলে শাহনেওয়াজ, পাশের বাড়ির দেলোয়ার হোসেন ও মো. হেলাল উদ্দিন রান্নাঘরে ছুটে গেলে তাঁরাও দগ্ধ হন। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এরপর স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দগ্ধ ব্যক্তিদের উদ্ধার করে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আহত পাঁচজনকেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে গত শুক্রবার সকালে গুরুতর দগ্ধ হেলাল উদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, খালেদা ও তাঁর ছেলে শাহনেওয়াজকে ঢাকায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট ভর্তি করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন