কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি গোলাম মোর্শেদ জানান, ফজলুর রহমান দীর্ঘদিন ঘোনা ইউপির চেয়ারম্যান ছিলেন। গত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর কাছে তিনি হেরে যান। স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি পক্ষ ও কলেজকেন্দ্রিক একটি পক্ষের সঙ্গে তাঁর বিরোধ দীর্ঘদিনের। আজ কলেজের সামনে মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরা দুর্বৃত্তরা তাঁকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা চালায়।

অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, তিনি কলেজের কাজ শেষে মোটরসাইকেলে করে বাড়ির উদ্দেশে বের হন। কলেজ থেকে বের হওয়ার পর কলেজের সামনে একটি মোটরসাইকেলে হেলমেট পরা দুই ব্যক্তিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন। দুজনের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি মোটরসাইকেল থেকে নামেন। তখন তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। এ সময় ডান পায়ের ঊরুতে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসায় দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।

default-image

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, বেলা একটার দিকে ফজলুর রহমানকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। তাঁরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে অপারেশন থিয়েটারে পাঠিয়ে দেন।

হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক সুজিত ঘোষ বলেন, ফজলুর রহমানের ডান পায়ের ঊরুতে গুলি লেগে অন্য পাশ দিয়ে বের হয়ে গেছে। অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তিনি এখন শঙ্কামুক্ত।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম কাইয়ুম প্রথম আলোকে বলেন, অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান এখন শঙ্কামুক্ত। অস্ত্রোপচার শেষে তাঁকে কেবিনে দেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশের সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মীর আসাদুজ্জামান হাসপাতালে গিয়ে তাঁর খোঁজখবর নিয়েছেন। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে পুলিশ তদন্তে নেমেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন