default-image

করোনার উপসর্গ নিয়ে ১১ ঘণ্টার ব্যবধানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার ভোর চারটা থেকে বেলা তিনটার মধ্যে ওই তিনজন মারা যান।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ মানস কুমার মণ্ডল জানান, গত শনিবার জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা ইউনিয়নের এক ব্যবসায়ী (৬৮) সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁকে প্রথমে আইসোলেশনে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গতকাল রোববার তাঁকে নেওয়া হয় নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বেলা তিনটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন। আগেই তাঁর করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেওয়া ছিল। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আসা প্রতিবেদনে সোমবার সকালে জানা যায় তিনি করোনা পজিটিভ।

এদিকে একই ইউনিয়ন থেকে একজন কৃষক (৫০) জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে গতকাল দুপুরে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন। তাঁকে ভর্তি করা হয় আইসোলেশন ইউনিটে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি আজ ভোর চারটার দিকে মারা যান।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ মানস কুমার মণ্ডল বলেন, আজ বেলা দেড়টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়ন থেকে একজনকে (৪০) সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসা দেওয়ার আগেই জরুরি বিভাগে তিনি মারা যান।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের চিকিৎসা কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার সরকার বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাঁদের লাশ দাফনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘোনা ইউনিয়নের একজনের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। অন্য দুজনের বাড়ি লকডাউন করার প্রক্রিয়া চলছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, সাতক্ষীরায় করোনার উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পর নমুনা পরীক্ষায় পাঁচজনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন