বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই ইউনিয়নের আবদুল আলিম বলেন, আজ দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া হবে, সেটা তিনি জানতেন না। এই প্রতিবেদকের কাছ থেকেই তিনি তথ্যটি প্রথম শুনলেন। এদিকে পশ্চিম দুর্গাবাটি গ্রামের অণিমা মণ্ডল জানান, তিনি সকালে লোকমুখে শুনে টিকা দিতে এসেছেন।

বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ভবতোষ মণ্ডল জানান, গত ৭ আগস্ট ৬০০ জনকে গণটিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছিল। এরপর গতকাল সোমবার বিকেলে টিকার দ্বিতীয় ডোজের ব্যাপারে মাইকিং করা হয়। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের ফেসবুক পেজ থেকেও দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার আহ্বান করা হয়। তবে প্রচার-প্রচারণা আশানুরূপ হয়নি। এ কারণে অনেকে জানতে পারেননি। আবার অনেকেই ইউনিয়নের বাইরে রয়েছেন বলে আসতে পারেননি। এ কারণে প্রথম ডোজ নেওয়া সবাই আজ দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারছেন না।

default-image

জেলা সিভিল সার্জন হুসাইন সাফায়াত জানান, সকাল নয়টা থেকে জেলায় একযোগে গণটিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সাতক্ষীরার ৭৮টি ইউনিয়নে ও একটি পৌরসভায় ৪৮ হাজার ৬০০ জনকে টিকা দেওয়া হবে। জেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় একটি করে কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ ভবনেই অধিকাংশ কেন্দ্র করা হয়েছে। সকাল নয়টা থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত টিকাদান চলবে।

বেলা ১১টার দিকে আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা যায়, শতাধিক মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন। উপজেলার উত্তর চাপড়া গ্রাম থেকে টিকা নিতে আসা আবদুল কাদের সরদার বলেন, আজ ভোরে মসজিদের মাইকে ঘোষণার মাধ্যমে তিনি গণটিকার দ্বিতীয় ডোজের ব্যাপারে জেনেছেন। দক্ষিণ চাপড়ার গ্রামের দীপক সরদার দাবি করেন, তাঁর এলাকায় অধিকাংশ মানুষই দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার খবর জানেন না।

আশাশুনি উপজেলা সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক আবু মোছা প্রচারণা কম হয়েছে স্বীকার করে বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় তাঁরা গণটিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রদান কর্মসূচির ব্যাপারে জেনেছেন। এর পরপরই তাঁরা ফেসবুক পেজের মাধ্যমে প্রচারণা শুরু করেন। আজ ভোরেও বিভিন্ন এলাকার মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সিভিল সার্জন সাফায়াত হোসেন বলেন, স্বল্প সময়ে হয়তো সবার কাছে খবর পৌঁছায়নি। এ ক্ষেত্রে যাঁরা আজ টিকা নিতে পারবেন না, তাঁদের জন্য ৮ থেকে ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও দুদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন