বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ হুমায়ন কবির বলেন, পরবর্তী ধাপে পর্যায়ক্রমে ১৬ মে হিমসাগর, ২৪ মে ল্যাংড়া ও ১ জুন তারিখে আম্রপালি আম সংগ্রহ ও বাজারজাত করা যাবে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে যদি কোনো ব্যবসায়ী বা চাষি অপরিপক্ব আম পেড়ে বাজারজাত করেন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর সারা দেশ থেকে ৬০০ মেট্রিক টন আম বিদেশে রপ্তানি করা হবে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা থেকে বিদেশ যাবে ১০০ মেট্রিক টন আম। আর এই নিরাপদ আম রপ্তানির কাজে নিয়োজিত চাষিদের বছরজুড়ে নানা প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা।

জেলা প্রশাসক বলেন, ভৌগলিক কারণে দেশের অন্য জেলাগুলোর আগেই সাতক্ষীরা জেলায় আম পাকে। তাই মৌসুমের প্রথমে সাতক্ষীরা এ সুস্বাদু আম ফলপ্রেমীদের কাছে জনপ্রিয়। প্রতিবছর সাতক্ষীরা জেলার এ আম ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়।

লাবসার আমচাষি মাহমুদ হাসান বলেন, এ বছর আম গাছে গুটি আসার পরপরই শিলাবৃষ্টি হয়। এতে মুকুল ঝড়ে যাওয়ায় আশানুরূপ আম হয়নি। তবে প্রথমে আম বাজারজাত করতে পারলে মূল্য বেশি পাওয়া যাবে।

সাতক্ষীরা খামারবাড়ির উপপরিচালক নূরল আমিন বলেন, কয়েকটি প্রজাতির আম ছাড়া অন্যান্য আম পাড়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে হিমসাগর, ন্যাংড়া ও আম্রপালি আম সংগ্রহের দিনও ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন