default-image

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় মেয়েটি (১৭) জিপিএ–৫ পেয়ে পাস করে। তার অমতে আজ বুধবার দুপুরে মা–বাবা তার বিয়ের আয়োজন করে। পরে জেলা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটি ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যের হস্তক্ষেপে মেয়েটি বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে সাতক্ষীরা সদর উপজেলায়।

সাতক্ষীরা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির প্রশাসনিক প্রধান সাকিবুর রহমান জানান, তাঁকে একজন ছাত্রী মুঠোফোনে অবহিত করে যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নে একটি মেয়ের বিয়ের আয়োজন করেছেন মা–বাবা। আজ দুপুরে বিয়ে। মেয়েটির বিয়েতে সম্মতি নেই। এ খবর জানার পর বিষয়টি তিনি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অবহিত করেন।

সাকিবুর রহমান আরও জানান, পরে আজ বেলা দেড়টার দিকে তিনি লোকজন নিয়ে মেয়েটির গ্রামে যান। সেখানে গিয়ে ওই এলাকার ইউপি সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে মেয়েটির বাড়িতে যান। তাঁরা গিয়ে দেখেন, মেয়েটির বিয়ের তোড়জোড় চলছে। বাবার কাছে মেয়ের জন্মসনদ দেখতে চান। জন্মসনদ নিয়ে এলে দেখা যায়, মেয়েটির বয়স ১৭ বছর। তাঁরা মেয়ের বাবা ও মাকে পরে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে জানান। মা–বাবা ১৮ বছরের আগে মেয়েকে বিয়ে দেবেন না বলে মুচলেকা দেন।

ইউএনও দেবাশীষ চৌধুরী বাল্যবিবাহ বন্ধের তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0