default-image

অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে ২২ বাংলাদেশিকে আটক করেছে সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ। গতকাল বুধবার রাত ১২টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সীমান্তবতী বাঁশদহ ইউনিয়নের কুলিয়াডাঙ্গার মোখলেছুর রহমানের বাড়ি থেকে তাঁদের আটক করা হয়। পাচারকারী চক্রের সহযোগী সন্দেহে ভ্যানচালক মোখলেছুরের স্ত্রী নাসিমা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১০ জন পুরুষ, ১০ জন নারী ও ২টি শিশু আছে। তাদের মধ্যে ১৫ জন নড়াইলের, তিনজন খুলনার, দুজন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার, একজন রংপুরের ও একজন মুন্সিগঞ্জের বাসিন্দা।

নড়াইলের কালিয়ার জামরুলডাঙ্গা গ্রামের আটক রুবিনা খাতুন (২৭) ও পিন্টু মোল্লা (২১) বলেন, তাঁরা কাজের জন্য ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সীমান্তে যান। ভারতে পার করে দেবে বলে আনারুল ইসলাম, কাবিরুল ইসলাম ও বাবলু নামের তিনজন তাঁদের কাছ থেকে মাথাপিছু ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়েছেন। গত মঙ্গলবার তাঁদের কুলিয়াডাঙ্গা গ্রামের মোখলেছুরের বাড়িতে নিয়ে যান। গতকাল বুধবার ভোররাতে তাঁদের ভারতে পার করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সুযোগ না হওয়ায় গতকাল রাতে তলুইগাছা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পার করার প্রস্তুতিকালে পুলিশ তাঁদের আটক করে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক মোখলেছুরের স্ত্রী নাছিমা বেগম দাবি করেন, তাঁর স্বামী মোখলেছুর একজন ভ্যানচালক। তিনি এই দালাল চক্রের সঙ্গে জড়িত নন। তাঁর স্বামী ভ্যানে যাত্রী বহন করেন মাত্র। সাতক্ষীরার কলারোয়া কেড়াগাছির আনারুল ও কাজিরুল এবং তলুইগাছা গ্রামের বাবলু এই ২২ জনকে তাঁদের বাড়িতে রেখে গেছেন। এর বাইরে তিনি আর কিছু জানেন না।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তিনি ও সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বুরহান উদ্দীন অভিযান চালিয়ে মোখলেছুর রহমানের বাড়ি থেকে ২২ জনকে আটক করে থানাহেফাজতে নেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে থানায় আনা হয়েছে। পুলিশ বাদী হয়ে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন