বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ট্রাফিক বিভাগ জানায়, সড়কে অতিরবাড়ি, সাতমাইল ও রশীদপুরে চারটি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক রয়েছে। বাঁকগুলোতে যাওয়ার আগেই সড়কের দুই পাশে বসানো হয়েছে সতর্কবার্তাসংবলিত সাইনবোর্ড।

দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁক ও মোড়গুলোতে সড়ক বিভাজক স্থাপনের অনুরোধ জানিয়ে সিলেট সড়ক ও জনপথ বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়েছে জানিয়ে মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার ফয়সল মাহমুদ বলেন, এসব দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানে সড়ক বিভাজক স্থাপন ও চালকেরা সতর্কতার সঙ্গে যানবাহন চালালে দুর্ঘটনা কমে আসবে।

সিলেট সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ওই স্থানগুলোতে এখন সড়ক বিভাজক স্থাপন সম্ভব হবে বলে মনে হচ্ছে না। তবে আগামী জুন মাসের মধ্যে ওই স্থানগুলোতে জনসচেতনতা এবং যানবাহনের চালকদের সতর্ক এবং সচেতন করতে জেব্রাক্রসিং, রাতে সড়ক বিভাজকের মতো দৃশ্যমান ‘সিগন্যাল’ স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সড়ক বিভাজক স্থাপন কেন সম্ভব হচ্ছে না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করার প্রকল্প চলমান। সে জন্য সেখানে নতুন করে সড়ক বিভাজক স্থাপন করার পর আবার ভেঙে ফেলতে হবে। এ জন্য আপাতত সেখানে সড়ক বিভাজক স্থাপনের পরিকল্পনা নেই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন