default-image

করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের বিপর্যয় থেকে হোটেলশ্রমিক ও হোটেলশিল্প বাঁচাতে সাত দফা দাবিতে মৌলভীবাজার জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে। আজ মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ইউনিয়নের নেতারা এ স্মারকলিপি দেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, হোটেলশিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ খাতে ৩০ লাখের বেশি শ্রমিক কর্মরত এবং তাঁদের ওপর নির্ভরশীল রয়েছে তাঁদের পরিবার। এ খাতের মালিকদের শুধু মুনাফাকেন্দ্রিক চিন্তাভাবনা এবং শ্রমিকদের দায়িত্ব গ্রহণ না করার মানসিকতার কারণে এ সেক্টরে কর্মরত শ্রমিকদের জীবনযাপন অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছে। এ অবস্থায় হোটেল, রেস্টুরেন্ট, মিষ্টি ও বেকারি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের জন্য জরুরিভাবে সরকারি উদ্যোগে চিকিৎসা নিশ্চয়তাসহ নিয়মিত ত্রাণ, প্রণোদনা ও রেশনিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।

সাত দফা দাবির মধ্যে আছে হোটেলশ্রমিকদের পূর্ণ মজুরি, উৎসব ভাতাসহ প্রাপ্ত সব সুযোগ-সুবিধা প্রদান; মহামারি দুর্যোগের এই সময় হোটেল সেক্টরে কোনো লে-অফ, অব্যাহতি বা ছাঁটাই করা যাবে না। এ বিষয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে সুনির্দিষ্ট পরিপত্র জারি; যেসব শ্রমিক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তাঁদের আইসোলেশন ও যথাযথ চিকিৎসার সমুদয় দায়িত্ব সরকার ও মালিককে বহন করা; সব হোটেলশ্রমিকের জন্য পর্যাপ্ত রেশনিংয়ের ব্যবস্থা করা; কর্মরত শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করাসহ ঝুঁকি ভাতা এবং করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে এক জীবন আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান; প্রণোদনা হিসেবে মাসিক ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা সরাসরি সরকার কর্তৃক শ্রমিকদের প্রদান করা এবং করোনাকালে শ্রমিকদের বাড়িভাড়া মওকুফের সুনির্দিষ্ট ঘোষণা।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন