বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের চন্দ্রপুর মধ্যপাড়ার বক্স আলী ভূঞা বাড়ির রূপধন মিয়া প্রায় ১০ বছর ধরে গাভিটি লালনপালন করে আসছিলেন। এর আগেও গাভিটি তিনটি স্বাভাবিক বাছুর জন্ম দিয়েছে। তবে শনিবার বিকেল যে বাছুরটির জন্ম দিয়েছে, সেটির পা সাতটি। চারটি স্বাভাবিক পা থাকা সত্ত্বেও বাছুরের পিঠের ওপরের অংশে ছোট ছোট তিনটি পা আছে। সাত পা নিয়ে গরুর বাছুর জন্মের খবর মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর বাছুরটিকে দেখতে শিশু-কিশোরসহ সব শ্রেণির মানুষ ভিড় করছে।

গাভির মালিক রূপধন মিয়া বলেন, বাছুরটি জন্মের পর মায়ের দুধ পান করছে না। তবে ফিডারের মাধ্যমে দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন মো. তারেক মাহমুদ বলেন, এটি বিরল আকৃতির বাছুর। প্রাণিসম্পদ বিভাগের একজন মাঠকর্মী সরেজমিন বাছুরটি দেখেন ও খোঁজখবর নেন। এটি একটি জন্মগত ত্রুটি। অপারেশন না করা হলেও বাছুরের চার পায়ের কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। ছোট পা তিনটি ধীরে ধীরে শুকিয়ে অকেজো হয়ে যেতে পারে।

এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আনিছুর রহমান বলেন, প্রাণিসম্পদ বিভাগের উপজেলা ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছেন। যেহেতু বাছুরটির জন্মগত ত্রুটি আছে, সে কারণে এটিকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। বাছুরটি কিছুটা সবল হয়ে উঠলে চিকিৎসার কথা ভাবা যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন