বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মাহমুদ হাসান খান এর আগে জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক এবং শরীফুজ্জামান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। যাঁরা দলীয় মনোনয়ন নিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গার দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

মো. শরীফুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, নতুন কমিটিতে আর কোনো যুগ্ম আহ্বায়ক থাকবেন না। শিগগিরই কেন্দ্র থেকে ৩১ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে জানাবে। কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী ওই কমিটি অধীনস্থ সব ইউনিটসহ জেলা বিএনপির কমিটি গঠন করবে। এ বিষয়ে জানতে মাহমুদ হাসান খানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল অহিদুল ইসলাম বিশ্বাসকে আহ্বায়ক এবং মাহমুদ হাসান খানকে ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক করে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করে কেন্দ্রীয় বিএনপি। মো. শরীফুজ্জামান এই কমিটির সদস্য ছিলেন। এ আহ্বায়ক কমিটিকে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে অধীনস্থ সব ইউনিট গঠন ও পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি গঠনের জন্য কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা থাকলেও অন্তঃকলহের কারণে তা সম্ভব হয়নি।

পরবর্তী সময়ে নানা অভিযোগে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অহিদুল ইসলাম বিশ্বাসকে ২০১৯ সালের ৩ এপ্রিল দলীয় সদস্যসহ সব পদ থেকে অব্যাহতি দেয় কেন্দ্রীয় বিএনপি। মাহমুদ হাসান খানকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনিও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন