বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে উপজেলা আওয়ামী লীগ। এতে দলের উপজেলা কমিটির সহসভাপতি সোহেল মিয়া লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এতে বলা হয়, ঘটনার দিন প্রদীপ রায় সুনামগঞ্জ জজ কোর্টে একটি মামলায় হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন। তিনি ওই জলমহালের সঙ্গেও জড়িত নন। ঘটনার সঙ্গে যুক্ত না থাকার পরও তাঁকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। এর আগে ২০১৭ সালে ১৭ জানুয়ারি উপজেলার জারলিয়া জলমহালে দুই পক্ষের সংঘর্ষে তিন জেলে নিহত হওয়ার ঘটনায় করা মামলায়ও তাঁকে আসামি করা হয়। অথচ প্রদীপ রায় সেদিন জাতীয় সংসদ ভবনে প্রয়াত আওয়ামী লীগের নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সংসদ ভবনের কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন। প্রদীপ রায়কে হেনস্তা ও হয়রানি করতেই এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে। একটি প্রতিক্রিয়াশীল চক্র দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগকে বিভক্ত করে রাখতে এসব তৎপরতা চালাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে সোহেল মিয়া বলেন, যারা বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের নীতি–আদর্শ মানে না, তারাই ষড়যন্ত্র করে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের অনুসারীদের একটার পর একটা মিথ্যা মামলায় আসামি করছে। তাই দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ মনে করে, এসব মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতা বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে এসব মামলার সুষ্ঠু ও নিরেপক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। যাঁরা জড়িত নন, তাঁদের মামলা থেকে বাদ দিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলতাব উদ্দিন, সহসভাপতি সিরাজ উদ দৌলা, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান তালুকদার, আওয়ামী লীগ নেতা আসাদ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক অভিরাম তালুকদার, দিরাই পৌরসভার মেয়র বিশ্বজিৎ রায় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন