বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বড়াইগ্রাম থানা সূত্রে জানা যায়, বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের দেওয়া অভিযোগে বড়াইগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আবদুল হামিদ, ইকুড়ি গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে জুবায়ের হোসেন, ইকুড়িরাজাপুর গ্রামের খয়ের উদ্দিনের ছেলে কানু হোসেন, রায়হান আলীর ছেলে সবুজ হোসেন, রবিউল করিমের ছেলে রাতুল হোসেন, আবদুর রবসহ অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচজনের নাম রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, শুক্রবার দুপুরে আবদুল হামিদসহ অভিযুক্ত ব্যক্তিরা চারটি শিয়াল ও একটি দাঁড়াশ সাপকে লাঠিপেটা করে হত্যা করে। হত্যা করার দৃশ্য মুঠোফোনে ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। বিষয়টি বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের নজরে আসে। আজ তারা সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ঘটনার সত্যতা পায়। পরে তারা বড়াইগ্রাম থানায় গিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দাখিল করে। তাঁদের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২–এর ৬(১) ও ৩৪(খ) ধারার শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

রাজশাহীর ওয়াইল্ডলাইফ রেঞ্জার মোহাম্মদ হেলিম রায়হান বলেন, শিয়াল ও সাপ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ডে পরিবেশের আনুমানিক এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, বন বিভাগের দেওয়া লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। তবে অভিযোগ প্রচলিত আইনে আমলযোগ্য না। তাই বিষয়টি জিডি করে আদালতের অনুমতি নিয়ে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন