বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালতেরে সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান বলেন, টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করেছিলেন সহিদুরের আইনজীবীরা। তাঁরা যেকোনো শর্তে সহিদুরের জামিন প্রার্থনা করেন। তবে শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মাসুদ পারভেজ আবেদনটি নামঞ্জুর করেন।

গত ১৮ আগস্ট সকালে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন সহিদুর রহমান খান। ফলে তাঁকে কারাগার থেকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ভর্তি রেখে তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্র বলছে, বুকের ব্যথা ছিল সহিদুরের। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সাত সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। তাঁর হৃদযন্ত্রে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। তবে থাইরয়েড ও কিডনিতে কিছু সমস্যা আছে। হাসপাতালে থাকতেই তিনি করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হন। তিন দিন আগে তিনি করোনামুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে কোমরের ব্যথার জন্য হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি তাঁর কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। ফারুক হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক ছিলেন সহিদুর। গত বছরের ২ ডিসেম্বর তিনি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এরপর দফায় দফায় তাঁর পক্ষে ১৪ বার জামিনের আবেদন করেছেন। তবে প্রতিবারই ওই আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

ফারুক হত্যাকাণ্ডে সহিদুর, আমানুরসহ তাঁদের অপর দুই ভাই ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খানেরও জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর তাঁরা সবাই আত্মগোপনে চলে যান। এর মধ্যে আমানুর ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। অপর দুই ভাই জাহিদুর ও সানিয়াত এখনো পলাতক।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন