বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সহিদুর টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ আতাউর রহমান খানের ছেলে এবং এই আসনের সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার ভাই।
সাক্ষ্য গ্রহণের সময় টাঙ্গাইল কারাগার থেকে সহিদুরকে আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা মামলার অপর দুই আসামি কাদের জোয়ারদার ও নাসির উদ্দিন নুরুও আদালতে হাজির ছিলেন।

বাদী রাশিদুল ইসলাম বলেন, ২০১৫ সালের ৩০ জুলাই সদর উপজেলার পোরাবাড়ি গ্রামের কাদের জোয়ারদারকে আটক করা হয়। পরে তাঁর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তাঁর বাড়ি থেকে দুটি পিস্তল, তিনটি ম্যাগাজিন ও তিনটি গুলি উদ্ধার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে কাদের জোয়ারদার জানিয়েছিলেন, এই অস্ত্রগুলো তৎকালীন পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খানের। তিনি নাসির উদ্দিন নুরুর মাধ্যমে এই অস্ত্রগুলো তাঁর (কাদের জোয়ারদার) কাছে রাখতে দিয়েছিলেন।

প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় জড়িত থাকার বিষয়টি বের হওয়ার পর ২০১৪ সালের নভেম্বরে টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান আত্মগোপনে যান। আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় এই অস্ত্র উদ্ধার হয়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গত ডিসেম্বরে সহিদুর বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে তিনি অস্ত্র মামলায় আদালত থেকে জামিন পান। তবে ফারুক হত্যা মামলায় জামিন না হওয়ায় বর্তমানে তিনি টাঙ্গাইল কারাগারে আছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন