বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা বলেন, স্ত্রী-সন্তানের কথা গোপন রেখে গোলাম রসুল এক তরুণীর সঙ্গে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে ওই তরুণীকে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর ওই তরুণী গোলাম রসুলের স্ত্রী-সন্তানের কথা জানতে পারেন। এরপর ২০১৬ সালের ২১ আগস্ট তিনি রসুলকে তালাক দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গোলাম রসুল ওই বছরের ২৪ আগস্ট সাবেক স্ত্রীর আপত্তিকর ছবি খামে ভরে তাঁর (সাবেক স্ত্রী) বাবার বাড়ির সামনে রেখে যান। এ

ঘটনায় ওই দিনই ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা থানায় অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ রসুলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁর কম্পিউটারে রাখা ওই তরুণীর ৩৯টি আপত্তিকর ছবি পায়। জব্দ করা হয় তাঁর কম্পিউটার।

এ নিয়ে রসুলের বিরুদ্ধে কাহালু থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় একটি মামলা করেন ওই তরুণীর বাবা। পুলিশ সে দিন আসামি গোলাম রসুলকে গ্রেপ্তার করেছিল। পরে জামিন পেয়ে তিনি পালিয়ে যান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন