default-image

ঢাকার সাভারে সালেপুর সেতুর উভয় পাশের যানজটের কারণে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়নি। আজ শুক্রবার সকালেও যানজট অব্যাহত ছিল।

সালেপুরে তুরাগ নদের ওপর পাশাপাশি  নির্মিত দুটি সেতুর একটির গার্ডারে (ভিম) ফাটল দেখা দেওয়ায় গত বুধবার থেকে ওই সেতু দিয়ে যানবাহন পারাপার বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর থেকে সেতুর উভয় পাশে যানজট লেগে আছে। আজ শুক্রবার পর্যন্ত সেতুর ফাটল মেরামত না করায় যানজটের কবলে পড়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন হাজারো মানুষ।

ঢাকা সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নব্বইয়ের দশকে সালেপুরে তুরাগ নদের ওপর পূর্ব ও পশ্চিম পাশে পাশাপাশি দুটি সেতু নির্মাণ করা হয়। পূর্ব পাশের সেতু ব্যবহার হয় রাজধানীতে যানবাহন ঢোকার জন্য। আর পশ্চিম পাশের সেতু ব্যবহার হয় রাজধানী থেকে যানবাহন বের হওয়ার জন্য। গত বুধবার পূর্ব পাশের সেতুর নিচের গার্ডারে (ভিম) ফাটল দেখা দেয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর বুধবার সন্ধ্যা থেকে ওই সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন
গার্ডারে ফাটল মেরামতে সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ। আজ শুক্রবার কোনো এক সময় কাজ শুরু হবে। তিন সপ্তাহের মধ্যে মেরামতের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এরপর চলাচলের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়া হবে।
মুহাম্মদ শামীম আল-মামুন. নির্বাহী প্রকৌশলী, সওজ, ঢাকা কার্যালয়

সাভার হাইওয়ে ও ট্রাফিক পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, ফাটলের কারণে গত বুধবার সালেপুরে পূর্ব পাশের সেতু বন্ধ করে পশ্চিম পাশের সেতু চালু রাখা হয়। চালু রাখা সেতুটি সরু হওয়ার কারণে ওই সেতুর উভয় পাশে যানজটের সৃষ্টি হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার পর এর প্রভাব পড়ে নবীনগর-চন্দ্রা ও আব্দুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কে। এই দুই সড়কে রাত তিনটা পর্যন্ত তীব্র যানজট অব্যাহত থাকে। একপর্যায়ে আবদুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়ক হয়ে ঢাকাগামী যানবাহন বাইপাইলে আটকে দিলে রাত তিনটার পরে যানজট কমে যায়।

ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তারা বলেন, যানজটের খবর পেয়ে অনেক যানবাহন বিকল্প পথে চলাচল করছে। অন্যদিকে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে যানবাহন বের হয়েছে কম। এসব কারণে আজ শুক্রবার সকাল থেকে সালেপুর সেতুর উভয় পাশে যানজটের তীব্রতা কমেছে।

সওজ ঢাকার নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ শামীম আল-মামুন বলেন, গার্ডারে ফাটল মেরামতে সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ। আজ শুক্রবার কোনো এক সময় কাজ শুরু হবে। তিন সপ্তাহের মধ্যে মেরামতের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এরপর চলাচলের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন