বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দেবগ্রাম ইউনিয়নের বেতকা ও ছোটভাকলা ইউনিয়নের অন্তারমোড় থেকে খেয়া পারাপারের ইজারা দেওয়া হয়। দুই ইউনিয়নের অনুকূলে বছরে প্রায় ১৫ হাজার টাকা রাজস্ব আসে। ১৪টি ইঞ্জিনচালিত বড় ট্রলারে যাত্রী ও ছোট যান পারাপার হয়। প্রতিদিন ঘাট দিয়ে প্রায় দেড়-দুই হাজার যাত্রী পারাপার হয়।

দেবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় জানায়, দেবগ্রাম ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ড বেতকা-রাখালগাছি অঞ্চলে প্রায় তিন হাজার মানুষের বসবাস। ভোটার রয়েছেন প্রায় এক হাজার। বেতকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাড়া নেই কোনো প্রতিষ্ঠান। দুই বছর আগে পাবনা থেকে ওই অঞ্চলে বিদ্যুৎ–সংযোগ দেওয়া হয়। জরুরি যেকোনো যাতায়াতে নৌকার ওপর নির্ভর করতে হয়।

গত রোববার সকালে দেখা যায়, পদ্মা পাড়ি দিতে বেশ কিছু মানুষ অন্তারমোড় নদীর পাড়ে জড়ো হয়েছেন। স্থানীয়ভাবে গড়ে উঠেছে একাধিক দোকান। যাত্রীদের বসার জন্য ব্যবস্থা নেই। সকাল সাড়ে আটটায় বেতকা থেকে কয়েকটি মোটরসাইকেলসহ যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ঘাটে ভিড়ে। পরে অপেক্ষমাণ সবাই নৌকায় ওঠে পড়েন। এর মধ্যে অনেক কৃষক আছেন, যাঁদের রাখালগাছি-বেতকায় জমি রয়েছে। ফসল আবাদের জন্য প্রতিদিন সকালে খাবার নিয়ে যান। দিন শেষে আবার ফিরে আসেন। আবার কেউ পাবনা অঞ্চলে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।

দৌলতদিয়া ঘাটে আক্কাছ মোল্লার ছেলের দোকান রয়েছে। সেখান থেকে এক-দুই দিন পর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে রাখালগাছি আসেন আক্কাছ মোল্লা। তিনি বলেন, বর্ষাকালে ট্রলারে অনেক ঝুঁকি নিয়ে চলতে হয়। ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে সমস্যা আরও বেশি হয়।

দেবগ্রাম ইউপির চেয়ারম্যান হাফিজুল ইসলাম বলেন, ঢালারচর রেলস্টেশন থেকে রাখালগাছি পর্যন্ত পাকা রাস্তা হয়েছে। ওই রাস্তা থেকে নদীর পাড় পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার পাকা রাস্তা করতে উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছি। রাস্তাটি হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক ভালো হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন