বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মেহেদী হাসান হত্যাকাণ্ডে তিন আসামিকে গ্রেপ্তারের পর বগুড়ার পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বুধবার তাঁর কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন। পুলিশ সুপার গ্রেপ্তার আসামিদের বরাত দিয়ে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও বিশদ বর্ণনা এবং গ্রেপ্তার অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

আসামিরা চালক মেহেদীকে হত্যার পর ইজিবাইকটি বিক্রিরও চেষ্টা করেন। পরে পুলিশের তৎপরতা টের পেয়ে ধরা পড়ার ভয়ে শহরের চকসূত্রাপুর কসাইপাড়া এলাকার সড়কে ইজিবাইক রেখে পালিয়ে যান।

গত রোববার দুপুরে সারিয়াকান্দির দীঘলকান্দি প্রেম যমুনার ঘাটসংলগ্ন যমুনা নদীর দুর্গম চর থেকে ইজিবাইকচালক মেহেদী হাসানের লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি জেলার গাবতলী উপজেলার সন্ধ্যাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। রাতেই তাঁর বাবা আনিছার রহমান বাদী হয়ে সারিয়াকান্দি থানায় হত্যা মামলা করেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার বলেন, মেহেদী গাবতলী-সাবগ্রাম রুটে ইজিবাইক চালাতেন। গ্রেপ্তার আসামিরা পেশাদার ছিনতাইকারী। মেহেদী পূর্বপরিচিত হওয়ায় অনেক আগে থেকেই তাঁরা তাঁকে টার্গেট করে ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত শনিবার দুপুরে মেহেদীকে বগুড়া শহরের চেলোপাড়া সেতুর কাছে মুঠোফোনে ডেকে নেন গ্রেপ্তার আসামিরা। পরে সারিয়াকান্দির দীঘলকান্দি প্রেম যমুনার ঘাটে যান। এরপর নদীর পাড়ে ইজিবাইক রেখে কৌশলে মেহেদীকে দীঘলকান্দি চরে নিয়ে যান। সেখানে কিছুক্ষণ আড্ডা দেওয়ার পর তাঁরা মেহেদীর গলায়, মুখে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর মুঠোফোন ও ইজিবাইক নিয়ে বগুড়া শহরে আসেন। আসামিরা ইজিবাইকটি বিক্রিরও চেষ্টা করেন। পরে পুলিশের তৎপরতা টের পেয়ে ধরা পড়ার ভয়ে শহরের চকসূত্রাপুর কসাইপাড়া এলাকার সড়কে ইজিবাইক রেখে পালিয়ে যান।

পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী আরও জানান, গ্রেপ্তার আসামি শাকিবের বিরুদ্ধে সদর থানায় ডাকাতির প্রস্তুতির একটি মামলা আছে। এ ছাড়া আপেলের বিরুদ্ধে সদর থানায় অস্ত্র ও ডাকাতির প্রস্তুতির মামলাসহ দুটি এবং সোহেলের বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় ডাকাতির প্রস্তুতির দুটি মামলা আছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন