ঘন কুয়াশার কারণে সাড়ে ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল দৌলতদিয়া–পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল। ঘাটে আটকে থাকেন পারাপারের অপেক্ষায় থাকা যাত্রীরা। সোমবার সকালে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায়
ঘন কুয়াশার কারণে সাড়ে ছয় ঘণ্টা বন্ধ ছিল দৌলতদিয়া–পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল। ঘাটে আটকে থাকেন পারাপারের অপেক্ষায় থাকা যাত্রীরা। সোমবার সকালে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায়প্রথম আলো

কুয়াশার কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধের সাড়ে ছয় ঘণ্টা পর আবার চালু হয়েছে। আজ সোমবার ভোররাত পৌনে চারটা থেকে সকাল সোয়া দশটা পর্যন্ত নৌযান বন্ধ থাকায় পারাপার ব্যাহত হয়।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক আবু আবদুল্লাহ বলেন, এর আগে কুয়াশার কারণে গত ২৭ জানুয়ারি মধ্যরাত থেকে ২৮ জানুয়ারি সকাল পর্যন্ত প্রায় সোয়া আট ঘণ্টা ফেরি বন্ধ ছিল। তিন দিন বিরতির পর পুনরায় গতকাল রোববার মধ্যরাত থেকে হঠাৎ ভারী কুয়াশা জমে। মাত্রা বেড়ে গেলে একপর্যায়ে আজ ভোররাত থেকে ফেরি বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নদীপথে অন্যান্য নৌযান চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়।

আবু আবদুল্লাহ বলেন, এর আগে উভয় ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া যানবাহনবোঝাই চারটি ফেরি মাঝনদীতে দিক হারিয়ে ফেলে। দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরিগুলো মাঝনদীতেই নোঙর করে। ফেরিতে শতাধিক যানবাহনের কয়েক শ যাত্রী শীত এবং কুয়াশায় দুর্ভোগে পড়েন। সকাল সোয়া ১০টার দিকে কুয়াশা কেটে গেলে পুনরায় ফেরি চালু হয়।

বিজ্ঞাপন

আজ সকালে দৌলতদিয়া ঘাটে আটকে থাকা অনেক যাত্রীকে কুড়ানো কাগজ ও খড়কুটো দিয়ে আগুন পোহাতে দেখা যায়। ফেরি বন্ধ থাকায় ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসসহ অন্যান্য যানের প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।

সকালে গোয়ালন্দ থেকে গাজীপুরে যাচ্ছিলেন একটি তৈরি পোশাক কারখানার কর্মকর্তা রাকিব হাসান। গাজীপুরে গিয়ে অফিস করার কথা ছিল তাঁর। রাকিব বলেন, ‘ভোরে ঘুম থেকে উঠেই দেখি কুয়াশায় চারদিক কুয়াশাচ্ছন্ন। এর মধ্যেই রওনা হয়ে ঘাটে এসে প্রায় চার ঘণ্টা বসে থাকি।’ তাঁর মতো আরও অনেক যাত্রী এমন দুর্ভোগে পড়েন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন