বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে গত মঙ্গলবার প্রথম আলোতে ‘গরিবের ঘর সচ্ছলদের নামে’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে সিংড়ার চারটি গ্রামের নয়জন সচ্ছল ব্যক্তিকে স্থানীয় চেয়ারম্যানের সুপারিশে গরিবের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে। প্রতিবেদনটি স্থানীয় (নাটোর-৩) সাংসদ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদের নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিক ইউএনওকে ঘটনাটি সরেজমিন তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

সরেজমিন তদন্তে প্রথম আলোর প্রতিবেদনের সত্যতা পান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম সামিরুল ইসলাম।

ইউএনও গতকাল বুধবার উপজেলার সৈয়দপুর, একডালা, কুমিড়া ও পাওটা গ্রামে গিয়ে বিতর্কিত এসব ঘর পরিদর্শন করেন। তাঁর সঙ্গে ছাতারদীঘি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আল আমিন সরকার উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রতিবেদনের সত্যতা পান তিনি। মানবিক কারণে তিনি তিনজনের ঘর বহাল রাখলেও বাকি ছয়জনের ঘরের বরাদ্দ বাতিল করেন।

ইউএনও এম এম সামিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, অনিয়মের সত্যতা পেয়ে কুমিড়া গ্রামের কৃষক জাবেদ আলী ও আনিছুর রহমান, সৈয়দপুরের জায়েদা বেগম এবং একডালা গ্রামের রবিউল সোনারের ঘর বাতিল করা হয়েছে। এর আগে সৈয়দপুরের আজাদুল সরদার ও আদরী বেগমের ঘরের বরাদ্দ বাতিল করা হয়। এ ছাড়া এই ইউনিয়নের বর্তমান ইউপি সদস্য ছখিনা বেগমসহ অন্য তিনটি ঘরের বিষয়ে অধিকতর তদন্ত করা হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বাতিল করা এসব ঘর প্রকৃত ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে নতুন করে বরাদ্দ দেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন