বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১০টি ইউনিয়নে গড়ে ৬১ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। তবে জেলায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি আরও বেশি ছিল। কিছু সহিংসতার মধ্যেও দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে নাটোরের লালপুর, বাগাতিপাড়া, নাটোর সদর ও বড়াইগ্রাম উপজেলায় গড়ে ৭৬ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পড়েছিল।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সিংড়ার নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস নির্বাচনের ফলাফলে খারাপ কিছু দেখছেন না। জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, নির্বাচনে বিএনপি বা বিএনপি–সমর্থিত কেউ অংশ নেননি। নৌকার বিরুদ্ধে যাঁরা বিদ্রোহী হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন, তাঁরাও দলের কোনো না কোনো পদে রয়েছেন। তাঁরা সবাই স্থানীয় সাংসদ জুনাইদ আহ্‌মেদের ছত্রচ্ছায়ায় রাজনীতি করেন।

নির্বাচনের এ ফলাফলের মাধ্যমে দলের মধ্যে বিরোধের বিষয়টি আরও পাকাপোক্ত হবে বলে মনে করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের বিলুপ্ত কমিটির একজন শীর্ষ নেতা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু ভুল ছিল। ফলে এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সিংড়া আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিরোধের বিষয়টি আরও পাকাপোক্ত হবে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওহিদুল ইসলাম বলেন, মনোনয়নপত্র জমার সময় থেকেই তাঁরা একক প্রার্থী রাখার চেষ্টা করে আসছেন। কিন্তু অনেকেই সে সিদ্ধান্তে সাড়া দেননি। তবে ভোটাররা আওয়ামী লীগের নেতাদের প্রতি আস্থা রেখেছেন। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন