বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
আজ সকালে মরা আত্রাই নদে স্থানীয় লোকজন একটি বস্তা ভাসতে দেখেন। পরে তাঁরা বস্তাটি তীরে তুলে দেখেন, ভেতরে ভোটের সিল মারা ব্যালট পেপার রয়েছে।

এদিকে এ বিষয়ে মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী রবিউল করিম বলেন, নির্বাচনের দিন কেউ হয়তো ব্যালটগুলো চুরি করেছিলেন। ফলাফল ঘোষণার পর সেগুলো নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করলে ভোটের ফলাফল বদলে যেতে পারে।

সিংড়া থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে মরা আত্রাই নদে স্থানীয় লোকজন একটি বস্তা ভাসতে দেখেন। পরে তাঁরা বস্তাটি তীরে তুলে দেখেন, ভেতরে ভোটের সিল মারা ব্যালট পেপার রয়েছে। খবর পেয়ে সিংড়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ব্যালট পেপারভর্তি বস্তাটি থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘটনার এক ঘণ্টা পর বিলদহর করাতকলের পাশের খাদে আরও এক বস্তা ব্যালট পাওয়া যায়। পরে পুলিশ এসব ব্যালটও তাদের হেফাজতে নেয়। আজ বেলা তিনটার দিকে সিংড়া থানা চত্বরে উদ্ধার হওয়া ব্যালটগুলো রোদে শুকানোর জন্য রেখে দিতে দেখা গেছে।

সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর-এ-আলম সিদ্দিকী বলেন, সিল মারা ব্যালট পেপার ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তারা এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাইফুল আলম বলেন, ব্যালট পেপার উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তাকে দিয়ে ব্যালট পেপারগুলো পরীক্ষা করানো হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম সামিরুল ইসলাম বলেন, নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে উদ্ধার হওয়া ব্যালট পেপারের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কতগুলো ব্যালট পেপার পাওয়া গেছে, সেটা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো গণনা করা হয়নি। সবাইকে নিয়ে গণনা করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপের নির্বাচনে চামারী ইউপিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হাবিবুর রহমান ঘোড়া প্রতীকে ৭ হাজার ৩১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রবিউল করিম মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ৪ হাজার ৪৭২ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় ও রশিদুল ইসলাম মৃধা নৌকা প্রতীকে ৩ হাজার ৮২৯ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন।

চামারী ইউপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ব্যালট পেপার উদ্ধারের ঘটনা শুনেছি। তবে নিজের চোখে দেখিনি। উদ্ধার হওয়া ব্যালটগুলো আসল কি না, সেটাও যাচাই করা দরকার।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন