বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে বিকেল সাড়ে চারটায় কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে আনা হয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ওই তিন সদস্যকে। এরপর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম আসামিদের পক্ষে আদালতে জামিনের আবেদন করেন।

সাইফুল ইসলাম বলেন, দণ্ডবিধির ৩৮৫ ও ৩৬৫ ধারায় যে শাস্তির বিধান আছে, মামলার এজাহারের বর্ণনা অনুযায়ী আসামিরা জামিন পেতে পারেন। তিনি মনে করেন, ঘটনাটি আলোচিত হওয়ায় সম্ভবত বিজ্ঞ আদালতের এখতিয়ারে থাকলেও জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন। এ ছাড়া মামলায় অন্য যেসব শাস্তির ধারার কথা উল্লেখ আছে, সেসব ধারাতেও আসামিরা জামিন পেতে পারেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পেলে পরবর্তী সময়ে উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করা হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে মা-ছেলেকে অপহরণ মামলা তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন দিনাজপুর জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বুধবার রাতে আদালতে মামলার বাদীপক্ষের চারজন ও আসামি ফসিহ উল আলম পলাশের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া হয়। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব ডিবির কাছে হস্তান্তরের আদেশ দেন আদালত।

এর আগে সোমবার রাতে চিরিরবন্দর থানায় অপহরণের অভিযোগ করেন ঘটনার শিকার দুজনের একজন জাহাঙ্গীরের চাচা খলিলুর রহমান। পরে থানা-পুলিশ অভিযোগটি আমলে নিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় অপহরণে জড়িত ব্যক্তিদের আটক করে। মঙ্গলবার রাতে মামলার বাদী পরিবর্তন করা হয়। অপহরণের শিকার জাহাঙ্গীর আলম নিজেই মামলার বাদী হন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সিআইডির তিন সদস্য, তাঁদের গাড়িচালক ফসিহ উল আলম পলাশ ছাড়াও পাঁচজনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন চিরিরবন্দর উপজেলার আন্ধারমুহা গ্রামের মৃত এন্তাজুল হকের ছেলে আরেফিন শাহ (৪০), সদর উপজেলার উপশহর এলাকার খেড়পট্টি গ্রামের মো. সোহেল (৩২), চৌরঙ্গী বাজার সুইহারি এলাকার মো. রিয়াদ (৩৫), ২ নম্বর উপশহর এলাকার মো. সুমন (৪০) এবং একই এলাকার মো. জাহিদ (৩৭)।

জেলা ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা বৃহস্পতিবার দুপুরে মামলার তদন্তভার হাতে পেয়েছি। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করাসহ ঘটনা তদন্তে গোয়েন্দা পুলিশের কয়েকটি দল কাজ করছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন