মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জেলায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা না চালাতে পেরে চালকেরা আজ পথে বসেছেন। কিস্তির টাকাও পরিশোধ করতে পারছেন না। বাসমালিকেরা তাঁদের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছেন। এভাবে চলতে থাকলে যাঁরা মালিক ও চালক রয়েছেন, তাঁরা পথে বসবেন। লাখ লাখ টাকা দেনা হয়েছে। গরিব, শ্রমজীবী মানুষ ধারদেনা করে, এমনকি ঋণ নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা কিনে সংসার চালান। কিন্তু সিএনজিচালিত অটোরিকশা জেলায় অবাধে চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না। চলাচলে বাধা দেওয়ায় তাঁদের আয়ের পথ সীমিত হয়ে গেছে। পথে-ঘাটে তাঁদের নানাভাবে হয়রানি, অটোরিকশা আটকে রাখার মতো ঘটনাও ঘটছে। এভাবে চলতে থাকলে অটোরিকশাচালক-মালিকেরা পথে বসবেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর দিন কাটাতে বাধ্য হবেন।

মানববন্ধনে তাঁরা বেশ কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। এগুলো হলো আন্তজেলা হাইওয়ের পাশে সার্ভিস সারি (রো) নির্মাণ করা, জেলার লাইসেন্সসহ বিক্রি করা সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল না করতে পারলে কিস্তি স্থগিত করা, জরুরি রোগী পরিবহন ও গ্যাস রিফিল করার জন্য বিশেষ অনুমতি প্রদান।

এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার শেখ মোহাম্মাদ সেলিম বলেন, মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচল সিদ্ধান্তের বিষয়টি সরকারের। তাঁরা শুধু এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছেন। এখন সরকার যদি সিএনজি বা তিন চাকার যান চলাচলের জন্য বিকল্প কোনো ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তাঁরা সেভাবে বিষয়টি বাস্তবায়ন করবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন