বিজ্ঞাপন

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেল চারটার দিকে সাইনবোর্ড ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে বোমাসদৃশ বস্তু দেখতে পেয়ে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা সেখান থেকে সরে যান। এরপর ওই এলাকায় বোমা–আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থল ঘিরে রাখেন এবং ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়।

default-image

ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক কামরুল ইসলাম প্রথম আলোকে জানান, মহাসড়কের সাইনবোর্ডে সকালে পাঁচজন এবং বিকেলে পাঁচজন ট্রাফিক পুলিশ দায়িত্ব পালন করেন। ট্রাফিক সার্জেন্টদের বসার জন্য সাইনবোর্ডের ওই পুলিশ বক্স। বিকেল চারটার দিকে ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে দেয়ালের সঙ্গে একটি ব্যাগের ভেতরে বোমাসদৃশ বস্তু দেখতে পেয়ে তাঁরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান।

default-image

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী বলেন, বোমাটি অনেক শক্তিশালী। এই বোমা বিস্ফোরণের সময় ৩০ মিটারের মধ্যে কোনো স্থাপনা বা মানুষ থাকলে ব্যাপক ধ্বংস ও প্রাণহানি ঘটাতে পারত। তিনি বলেন, কী কারণে, কারা কী উদ্দেশ্যে বোমাটি সেখানে রেখেছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের আগে নিশ্চিত করে কোনো কিছু বলা সম্ভব নয়।

দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম। এই মহাসড়ক দিয়ে দেশের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ১৮টি জেলার যানবাহন চলাচল করে। এই মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ একটি পয়েন্ট সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকা। এই এলাকায় শত শত পথচারীসহ বিভিন্ন যানবাহনে যাত্রী চলাচল করে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন