default-image

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গতকাল রোববার হেফাজতে ইসলামের হরতাল চলাকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সহিংসতার ঘটনায় আজ সোমবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত মামলা হয়নি। এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে আটকও করেনি।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, হরতালে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৭টি গাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

জেলার পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ২০১৩ সালের ৬ মে হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনার চেয়ে গতকালের ঘটনা কোনো অংশে কম নয়।

বিজ্ঞাপন
default-image

গতকালের হরতালে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের লোকজনের দফায় দফায় সংঘর্ষে পুলিশ-সাংবাদিকসহ অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন দুজন। আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ১৭টি গাড়ি। ভাঙচুর করা হয়েছে গণমাধ্যমের গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্সসহ শতাধিক যানবাহন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড থেকে শিমরাইল পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা অচল হয়ে পড়ে।

আজ সকালে সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক, সানারপাড় ও শিমরাইল এলাকার মহাসড়কে গিয়ে দেখা যায়, আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া গাড়িগুলো সেখানেই পড়ে ছিল। মহাসড়কে পড়ে আছে অসংখ্য কাচের গুঁড়া।

গতকাল মধ্যরাত থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। দূরপাল্লার বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছে। তবে মহাসড়কে অন্য দিনের তুলনায় গাড়ির চাপ কম ছিল।

নারায়ণগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক কামরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাত সাড়ে ১২টার পর থেকে গাড়ি চলাচল শুরু হয়েছে। এখন মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন