বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আইনজীবীরা বলেন, সকাল ১০টার দিকে বেবী বেগমকে দিয়ে শুরু হয় আদালতের বিচারকার্য। বেবী বেগম ছাড়াও সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আদালতে হাজির করা হয় সিনহা হত্যা মামলার আরও নয়জন সাক্ষীকে। তাঁরা হলেন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন আরিফিন, সার্জেন্ট মোকতার, কর্পোরাল নুর মোহাম্মদ, সৈয়দ মঈন, আবু জাফর, রুহুল আমিন, সার্জেন্ট জিয়াউর রহমান, আনিসুর রহমান ও টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সৈনিক নুর মোহাম্মদ।

সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আদালতের কাঠগড়ায় ছিলেন বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ১৫ জন আসামি।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফরিদুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, গত ২৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থ দফার ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছিল। পঞ্চম দফার তিন দিনে (১০, ১১ ও ১২ অক্টোবর) আরও ২০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হতে পারে। মামলার মোট সাক্ষী ৮৩ জন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা মো. রাশেদ খান। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি (টেকনাফে দুটি ও রামুতে একটি) মামলা করে। ঘটনার পাঁচ দিন পর কক্সবাজার আদালতে টেকনাফ থানার বহিষ্কৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ নয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। চারটি মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় র‍্যাব।

২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও র‍্যাব-১৫ কক্সবাজারের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. খাইরুল ইসলাম।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন