বিজ্ঞাপন

আজ সকালে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কের কড্ডার মোড় ও সায়েদাবাদ এলাকায় দেখা যায়, ঢাকামুখী হাজারো মানুষ দূরপাল্লার বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে। সিরাজগঞ্জ শহর ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে ছেড়ে আসা কিছু দূরপাল্লার বাসের চালকের সহকারীরা ঢাকামুখী যাত্রীদের ডাকছেন। বেশ কিছু যাত্রী ডাকে সাড়া দিয়ে বাসগুলোয় উঠলেও কিছুদূর যেতেই পুলিশ বাসগুলো আটকে দিচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। অনেক যাত্রীকে ট্রাক, পিকআপ ভ্যান, ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়িতে ঢাকায় ফিরতে দেখা যায়।

ঢাকার মিরপুর এলাকার মুদি দোকানি সিরাজগঞ্জ শহরের মুনির হোসেন (৪৮)। তিনি পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে স্ত্রী রেহানা খাতুন (৩০), ছেলে হালিমুল হক (১৩) ও রেহান হককে (১০) নিয়ে সিরাজগঞ্জ শহরের হোসেনপুর মহল্লায় আসেন। ঈদ শেষে তাঁরা ঢাকায় ফেরার উদ্দেশ্যে আজ সকালে বাসে করে রওনা হন। সায়েদাবাদ এলাকায় পুলিশ তাঁদের বাসটিকে আটকে দেয়। এতে তাঁরা চরম বিপাকে পড়েন। বাধ্য হয়ে তাঁরা পিকআপ ভ্যানে ওঠেন।

মুনির হোসেন বলেন, ‘বাস চলবে না, সেটি আগে থেকেই আমরা জানি। যখন বাসের হেলপার ডেকে ডেকে আমাদের ঢাকা বলে বাসে ওঠাল, তখন পুলিশ কোথায় ছিল?’

সহকারী পুলিশ সুপার (কামারখন্দ-বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সার্কেল) শাহিনূর কবির বলেন, বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কের সায়েদাবাদ এলাকায় আজ সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে ছেড়ে আসা ৩০০টি দূরপাল্লার বাস আটকে দেওয়া হয়েছে। হঠাৎ করেই সকাল সাড়ে নয়টার পর থেকে এসব দূরপাল্লার বাস বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে ঢাকা যেতে চেষ্টা চালায়। দূরপাল্লার বাস বন্ধ করে দিলেও অন্য সব যানবাহন চলতে দেওয়া হচ্ছে। কয়েক দিনের তুলনায় মহাসড়কে আজ যানবাহনের চাপ ক্রমেই বেড়ে চলেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন