বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল বুধবার রাতে বহুলী মাঠে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল বারীর নির্বাচনী জনসভা ছিল। ওই জনসভায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। আবদুল বারী অভিযোগ করে বলেন, গতকাল রাতে নৌকা প্রার্থী মঞ্জুরুল ইসলাম তালুকদারের লোকজন তাঁর জনসভায় হামলা চালিয়ে চেয়ার–টেবিল ভাঙচুর করেন। এ সময় হামলাকারীরা তাঁদের প্রচারণার মাইক খুলে নিয়ে যান। এদিকে আজ সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নৌকার প্রার্থীর নেতৃত্বে বহুলী ইউনিয়নের প্রতিটি এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পোস্টার ছিঁড়ে আগুন দিয়ে উল্লাস করা হয়েছে। বিনা উসকানিতে নৌকা প্রার্থীর লোকজন তাঁর নির্বাচনী কার্যালয়েও ভাঙচুর করেছেন। তাঁরা লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁর সমর্থকদের হুমকি–ধমকি দিচ্ছেন।

আবদুল আরও বারী বলেন, ‘ভোট সুষ্ঠু হলে আমি শতভাগ বিজয়ী হবো। নির্বাচনে নৌকার নিশ্চিত পরাজয় ভেবে তাঁরা এসব তাণ্ডব চালাচ্ছেন। এ বিষয়ে আমরা তিন প্রার্থী জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’

এদিকে ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী রুহুল আমিন সরকার জানান, বহুলী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পোস্টার ছাড়া অন্য সব প্রার্থীর পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কর্মী–সমর্থকেরা গত তিন দিনে পোস্টার ছেঁড়া থেকে শুরু করে তাঁর কর্মীদের মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে দাবি জানান তিনি।

এদিকে অভিযোগের ব্যাপারে জানতে মঞ্জুরুল ইসলাম তালুকদারের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, গতকাল রাতে নির্বাচনী জনসভায় ভাঙচুর হয়েছে। এ–সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ পেয়েছে পুলিশ। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আজিজার রহমান বলেন, তিন প্রার্থীর কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ এসেছে। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন