বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি বিদেশি বিনিয়োগ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আত্মসাৎ করা ও অবৈধ উপায়ে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ পেয়েছে পুলিশ। প্রতারণার শিকার প্রতিষ্ঠানটিতে অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গ্রাহককে ব্যক্তিগত তথ্য প্রদানের পাশাপাশি ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিতে হয়। প্রতিষ্ঠানটি অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশনের অংশ হিসেবে প্রতিটি নতুন রেজিস্ট্রেশন করা অ্যাকাউন্টের বিপরীতে অনধিক এক ডলারের সমপরিমাণ অর্থ এ অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সাময়িকভাবে দিয়ে থাকে। ভেরিফিকেশন শেষ হলে এ অর্থ দু–তিন দিনের মধ্যেই উক্ত প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টে ফেরত যায়।

পুলিশ বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, তাঁরা আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার সুযোগ নিতেন। তাঁরা প্রথমে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশি-বিদেশি প্রতারক চক্রের কাছ থেকে ‘পারফেক্ট মানি’, ‘পেওনার’ ইত্যাদি অ্যাপস ব্যবহার করে ভুয়া নাম–ঠিকানাসংবলিত সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর ও বিদেশি ব্যাংকের বেনামে তৈরি করা অ্যাকাউন্ট কিনতেন। এ তথ্য কাজে লাগিয়ে তাঁরা প্রতিটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিপরীতে উক্ত বিনিয়োগ পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটিতে ৩০০–৪০০ ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করেন। এসব অ্যাকাউন্টের ভেরিফিকেশনের টাকা একসঙ্গে নির্দিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ফেরত যাওয়ার আগেই পৃথক একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নেন। এ প্রক্রিয়া শেষ করতে প্রতারক চক্রটি আন্তর্জাতিক মোবাইল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করত।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন