বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী গত ৫ সেপ্টেম্বর সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের স্মরণসভায় আওয়ামী লীগকে নিয়ে কটূক্তি করেছেন, এমন অভিযোগ তুলে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা এ অনুষ্ঠান বর্জন করেছেন। তাই এ অনুষ্ঠানে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে দেখা যায়নি।

তবে সংবর্ধিত অতিথির বক্তৃতায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের যোগ না দেওয়ার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে এ অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘নাগরিক সংবর্ধনার বিষয়েও কেউ কেউ বলেছেন, এটা নাকি আরিফুল হক চৌধুরী আয়োজন করেছেন। আমি বলেছি, এটা সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর এবং সবাই মিলে আয়োজন করেছেন। বলেছি, আপনাদের লজ্জা থাকা উচিত। একজন অন্য দলের লোক হয়েও তিনি প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কর্মকাণ্ড স্বীকার করে নিয়েছেন।’

default-image

মেয়র আরিফুলের প্রশংসা করে আব্দুল মোমেন বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশনে এর আগেও একাধিক মেয়র ছিলেন। তাঁরাও সিলেটের উন্নয়নে কাজ করে গেছেন। নগরের উন্নয়নে আগে সরকারের পক্ষ থেকে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও, ওই সময় বরাদ্দের অর্থ ঠিকমতো খরচ করা যায়নি। যে কারণে টাকাগুলো ফেরত গেছে। তবে এখন নগরের উন্নয়নে বরাদ্দ টাকাগুলো ঠিকমতো কাজে লাগিয়ে খরচ করা যাচ্ছে। এটা সিটি করপোরেশনের সফলতা।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মেয়র আরিফুল হক সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল হক, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ টি এম ফয়েজ প্রমুখ বক্তব্য দেন। জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর সংবর্ধিত অতিথি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে সম্মিলিতভাবে শুভেচ্ছা জানান সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলররা। পরে সংবর্ধিত অতিথির হাতে ক্রেস্ট ও মানপত্র তুলে দেন মেয়র আরিফুল। এ সময় সিলেটের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন