default-image

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক আহমদকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। এ নিয়ে ওই মামলায় এজাহারে নাম থাকা ছয় আসামিই গ্রেপ্তার হলেন। এ ছাড়া এজাহারভুক্ত এক আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত রোববার রাতে আরও দুজনকে (এজাহারে নেই) গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে সুনামগঞ্জের দিরাই থেকে তারেককে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-৯-এর একটি দল। বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৯-এর এএসপি (গণমাধ্যম) ওবাইন রাখাইন। তিনি বলেন, সুনামগঞ্জের দিরাই থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি তারেক আহমদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেখান থেকে তাঁকে সিলেটে নিয়ে আসা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
default-image

ওই তরুণীর স্বামীর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন তারেকই গাড়ি চালিয়ে তাঁদের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে গিয়েছিলেন।

এদিকে আজ দুপুরে এজাহারের ৩ নম্বর আসামি শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি (২৫) এবং এজাহারের বাইরের দুই আসামি মো. আইনুদ্দিন (২৬) ও রাজন মিয়াকে (২৭) পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এর আগে গতকাল সোমবার দুপুর ও বিকেলে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি অর্জুন লস্কর (২৫), সাইফুল ইসলাম ও রবিউল ইসলামকে (২৫) পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

গত শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ঐতিহ্যবাহী মুরারি চাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের শিকার হন এক তরুণী। এ ঘটনায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মোট নয়জনের বিরুদ্ধে ওই তরুণীর স্বামী শাহপরান থানায় মামলা করেন। নাম উল্লেখ করা ছয় আসামি হলেন সাইফুর রহমান (২৮), তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক আহমদ (২৮), শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি (২৫), অর্জুন লস্কর (২৫), রবিউল ইসলাম (২৫) ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুম (২৫)। তাঁরা সবাই ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত।

মন্তব্য পড়ুন 0