বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আড়তে কলা বিক্রেতা লালান রুদ্রপাল বলেন, আড়তের কলাগুলোর মধ্যে মিষ্টি চাঁপা কলার চাহিদা বেশি। এর বাইরে পাওয়া যায় শবরি, সাগর, আইটা কলাও আসে। এর মধ্যে সাগর কলার চাহিদা সবচেয়ে কম। তিনি বলেন, এখানে ছড়ি হিসেবে কলা বিক্রি হয়। একেকটি ছড়িতে দেড় থেকে আড়াই ফন থাকে। ৮০টি কলায় এ ফন ধরা হয়। ওই হিসেবে ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকায় একেকটি ছড়ি বিক্রি হয়।

মো. নাসির উদ্দিন প্রায় দুই বছর ধরে কলার ব্যবসা করছেন। তিনি বলেন, ‘প্রথমে কলার ব্যবসা বুঝতাম না। কলা বেশি দিন রাখা যায় না। আজকে কাঁচা দেখালেও এক দিন যেতেই কলার রং চলে আসে। তাই কলা দিনে এনে দিনেই বিক্রি করে ফেলতে হয়।’

default-image

আড়তে কলা কিনতে এসেছিলেন নগরের সুবিদবাজার এলাকার বাসিন্দা রিয়াজ মিয়া। তিনি কলার খুচরা ব্যবসা করেন। রিয়াজ মিয়া বলেন, প্রতিদিন আড়ত থেকে ১০–১২ ছড়ি কলা নিয়ে যায়। আড়ত থেকে ছড়ি হিসেবে কিনে নিয়ে যাওয়ার পর সেগুলো কেটে কান্দা তৈরি করি। পরে হালি দরে তিনি বিক্রি করেন।

রিকাবীবাজারের ফল ব্যবসায়ী সুহেল মিয়া বলেন, সিলেটে কলার খুচরা ব্যবসায়ীরা শুধু চাঁপা কলাই বিক্রি করেন। তবে অন্যান্য ফলের সঙ্গে কলা বিক্রি করলে সাগর কলাও রাখা হয়। কলা বেশি দিন রাখা যায় না বলে সবাই দৈনিক হিসেবে কলা কিনে নিয়ে যান।

আড়তে কলা কিনতে এসেছিলেন কদমতলীর বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, ‘পরিবারের জন্য কলা কিনতে বেড়িয়েছি। পথে আড়তে দেখে কলা দেখছি। কিন্তু আড়ত থেকে ছড়ি ছাড়া কলা কেনা যায় না। বাজারে হালি কিংবা কান্দা হিসেবে কিনতে গেলে বিক্রেতারা দাম বেশি চান। এ জন্য আড়ত থেকেই কিনে নিয়ে যাওয়ার কথা চিন্তা করছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন