বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জাফলংয়ের ঘটনা কীভাবে দেখছেন?

মো. মজিবর রহমান: পুরো বিষয়টি দুঃখজনক। পর্যটকদের ওপর হামলার ঘটনায় তাৎক্ষণিক যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠিন ধারায় মামলা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারায় মামলা হয়েছে। একটা ঘটনা ঘটে গেছে, তবে আমরা দ্রুত অ্যাকশন নিয়েছি। মামলা করে অভিযুক্তদের সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সিলেট তো পর্যটন এলাকা হিসেবে দেশ-বিদেশে সুপরিচিত। এই ঈদের ছুটিতেও প্রতিদিন অসংখ্য পর্যটক সিলেটে আসছেন। জাফলংয়ের ঘটনার পর সিলেটের অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রের পরিস্থিতি কী?

মো. মজিবর রহমান: সিলেটের পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে কথা হয়েছে। পুলিশ অলরেডি নজরদারি বাড়িয়ে দিয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়ে যেন কোথাও কোনো রকম বিঘ্ন না ঘটে, সেটাও তারা দেখবে।

জাফলংয়ে পর্যটকদের ওপর হামলার ঘটনার পরপরই প্রবেশ ফি নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। পর্যটকদের কাছ থেকে ১০ টাকা করে প্রবেশ ফি রাখার যৌক্তিকতা কী?

মো. মজিবর রহমান: ঈদ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার থেকে আগামী সাত দিন পর্যটকদের কাছ থেকে কোনো ধরনের টিকিট বাবদ টাকা আদায় করা হবে না। জাফলং সবার জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও (ইউএনও) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের জন্য আগামী সাত দিন জাফলং উন্মুক্ত থাকবে। আর যেহেতু আগের জেলা প্রশাসক স্যারের সময়ে একটা মিটিংয়ে এ প্রবেশ ফি নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, তাই আরেকটা মিটিং করে এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এই ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল মূলত পর্যটনকেন্দ্রের ভেতরটি মেইনটেন্যান্সের (ব্যবস্থাপনা) জন্য। সাত দিন পর একটা মিটিং ডাকব। সেখানেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

পর্যটক হয়রানি রোধে অনেক পর্যটকের দাবি, পর্যটনকেন্দ্রগুলো যেন সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হয়। এমন কোনো পরিকল্পনা আছে কী?

মো. মজিবর রহমান: বিষয়টি প্রয়োজনীয় হলে অবশ্যই এটা আমরা করব।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন