বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা বাজারে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থী মো. আল আমিন ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আবদুল আলিম নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করছিলেন। তাঁরা বলেন, নির্বাচন ঘিরে সেখানে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ফলে প্রচারণাও বেশ ভালো হয়েছে। তাই তাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের আশা করছেন।

একাধিক ভোটার জানান, কয়েকটি ইউপিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর সঙ্গে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। নির্বাচনের মাঠে বিএনপি না থাকলেও দলটির একাধিক নেতা-কর্মীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নাম লিখিয়েছেন। ফলে একাধিক প্রার্থীর মধ্য থেকে যোগ্য প্রার্থী বেছে নেওয়ার জন্য সুযোগ পাচ্ছেন ভোটাররা।

সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ভোটার বলেন, ইউপি নির্বাচনে দলের বাইরেও গোষ্ঠী ও আঞ্চলিকতা বিবেচনায় নিয়ে মানুষ ভোট দেন। ফলে যেসব প্রার্থীর পক্ষে গোষ্ঠীকেন্দ্রিক তৎপরতায় ভোট বেশি পড়বে, তাঁর জয় সহজ হবে।

default-image

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৫টি ইউপিতেই আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী দিয়েছে। এর বাইরে ৮টি ইউপিতে আওয়ামী লীগের ১৪ জন বিদ্রোহী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় সরকারদলীয় প্রার্থীরা বিভিন্ন ইউপিতে অনেকটা বিপাকে পড়েছেন। তবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ সম্প্রতি দলের পদধারী ১০ নেতাকে বহিষ্কার করেছে। অন্যদিকে ১০টি ইউপিতে স্বতন্ত্র হিসেবে বিএনপির ১৪ জন নেতা-কর্মী প্রার্থী হয়েছেন।

সিলেটের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফয়সাল কাদের জানান, ১৫টি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে মোট ৬৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া সাধারণ ওয়ার্ড সদস্যপদে ৫২০ জন এবং সংরক্ষিত সদস্যপদে ১৫৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। গ্রহণযোগ্য ও প্রভাবমুক্ত ভোট গ্রহণে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন